সংবাদ সম্মেলনঃ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষা বর্ষের বিভিন্ন ইউনিটের ভর্ত্তি পরীক্ষায় অনিয়ম, দূনীর্তি ও অসঙ্গতি তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছে অভিভাবকরা। সংবাদ সম্মেলনে অভিভাবকরা বলেছেন ভর্ত্তি পরীক্ষা বাতিল করে আবারো মেধার ভিক্তিতে ভর্ত্তি পরীক্ষার সুযোগ দিতে হবে অন্যথায় তারা দেশের আদালতে বিচার চাইবেন।

বুধবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে হাবিপ্রবিতে ভর্ত্তি পরিক্ষায় অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুহম্মদ হাসানুজ্জামান। তারা বক্তব্যে বলেন,স্বনামধন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্ত্তি পরীক্ষায় ইতিপূর্বে কখনো অভিন্ন প্রশ্ন ব্যতিত পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার চরম বিশৃংখলা ও অনিয়মের মধ্যে ভর্ত্তি পরিক্ষা নেয় হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীদের মেধার কোন মুল্যায়ন করা হয়নি।

পরীক্ষার ফলাফলও যেনতেন ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে শিফট অনুযায়ী কোন শিফটে শতকরা ১০ ভাগ এবং কোন শিফটে ৮৫ ভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। পাশের এই বৈষম্য দেখে পরিস্কার বুঝা যায় কি ধরনের অনিয়ম করা হয়েছে। আমরা মনে করি, পরিক্ষার্থীরা ভালো পরিক্ষা দিয়েও আশানুরুপ ফলাফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে তাই হাবিপ্রবি’র এই ভর্ত্তি পরীক্ষার ফলাফল বাতিল ও পুনরায় ভর্ত্তি পরিক্ষা আয়োজনের দাবী করছি। অন্যথায় আমরা অনিয়ম দূর্নীতি ও অসংগতির অভিযোগে দেশের সর্ব্বচ আদালতে রিট করে এর সমাধান চাইবো।

তারা বলেন,ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনের ব্যানারেও ভর্ত্তি পরীক্ষা নিয়ে অনিয়ম ও দূনীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। পরিক্ষা গ্রহনের পদ্ধতি এবং ফলাফল দেয়ার বিষয়ে প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম হাবিপ্রবি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন,সমগ্র দেশে ভর্ত্তি পরিক্ষা নিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির যে ঘটনা ঘটছে তা থেকে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্ত্তি পরীক্ষাও বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। হাবিপ্রবি ভর্ত্তি পরীক্ষা ২০১৭ বাতিল করে পুনরায় ভর্ত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভর্ত্তিও সুযোগ দেয়ার আহবান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,অভিভাবক লাইছুর রহমান,রায়হান কবির সোহাগ,আসাদুর রহমান ভুইয়া তপন,মমতাজুল হক জুয়েল,লোকমান প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য