আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট থেকে: রিফাত জাহান, আমেনা খাতুন ও শ্যামলী খাতুন নামে ৩ জন শিক্ষার্থী লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী বটতলা ইবতেদায়ি মাদ্রাসার হয়ে এবতেদায়ি সমাপনী শিক্ষা পরীক্ষা দিচ্ছে।

তারা এবার গড্ডিমারী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে। কিন্তু তাদের মধ্যে রিফাত জাহান ও আমেনা খাতুন চলতি বছর মিলনবাজার মৌলভী আবুল হাশেম আহমেদ মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী হিসেবে জেডিসি পরীক্ষা দিয়েছে।

অপর শিক্ষার্থী শ্যামলী খাতুন হাতীবান্ধা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। অর্থাৎ গড্ডিমারী বটতলা ইবতেদায়ি মাদরাসা থেকে যে ক’জন শিক্ষার্থী এবতেদায়ি সমাপনী শিক্ষা (পিইসি) পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে তারা সবাই ভুয়া পরীক্ষার্থী।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী উচ্চ বিদ্যালয়ে এবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, শ্যামলী খাতুন ১০ নম্বর কক্ষে বসে অন্য শিক্ষার্থীদের মতোই উত্তরপত্র লিখছে। সে জানায়, বর্তমানে সে হাতীবান্ধা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ছে। কিন্তু গড্ডিমারী বটতলা মাদরাসায় তার এক আত্মীয় থাকায় এ বছর সে এবতেদায়ি সমাপনী শিক্ষা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

তবে ওই মাদরাসার হয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রিফাত জাহান ও আমেনা খাতুন প্রথম পরীক্ষায় অংশ নিলেও সোমবার দ্বিতীয় দিনে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসেনি। হাতীবান্ধা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আযাদ বলেন,বিষয়টি শুনেছি। ওই মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাতীবান্ধা ইউএনও আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি।

এ ব্যাপারে ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য