কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ যে বয়সে স্কুলে যাওয়া কিংবা পড়ালেখা করার কথা সেই বয়সে বাদাম বিক্রি সংসারের হাল ধরছে কাহারোলে নয়ন চন্দ্র দাস (৯)। কাহারোল উপজেলার সদরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বাঁশের ডালিতে করে বাদাম বিক্রি করতে দেখা গেছে তাকে।

নয়ন চন্দ্র দাস জানায়, তার পিতা নারায়ন চন্দ্র দাস (নাড়ু) উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রেরী অফিসের দলিল লেখক সমিতির বারান্দায় ছোট একটি পানের দোকান করছে এবং সেই দলিল লেখক সমিতির এক কোনে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছে অনেক দিন থেকেই।

তার পিতা কোন জমি-জমা না থাকায় দলিল লেখক সমিতিতে থাকতে হয়। নয়ন চন্দ্র দাস পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় অভাবী সংসারে খরচ মোটানোর জন্যই কোন উপায় না পেয়ে লেখা পড়া ছেড়ে বাদাম বিক্রি করছে প্রতিনিয়ত।

পিতার অভাবী সংসারে কিছুটা সাহায্যের হাত বাড়াতেই স্কুল পড়–য়া নয়ন চন্দ্র দাসের মত আরও অনেই কাহারোলে বিভিন্ন পেশায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে। এখনেই যদি সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া না যায় তবে অচিরেই হত দরিদ্র পরিবারের সন্তানেরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে।

নয়ন চন্দ্র দাসের সঙ্গে কথা বলে সে জানায়, লেখাপড়া-স্কুল যেতে আমার ভাল লাগে কিন্তুু অভাবের কারণে স্কুলে যাওয়া হচ্ছে না। সারাদিন বাদাম বিক্রি করে যে কয় টাকা উপার্জন হয় সেটা দিয়েই অভাবী সংসারে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য