সংবাদ সম্মেলনঃ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮ সালের ভর্তি পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম এবং অসংগতির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম হাবিপ্রবি শাখা।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এই অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের সাধারন সম্পাদক ড. বলরাম রায়।

তিনি লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষার সিআই (বানিজ্য) ইউনিটের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এবং ওএমআর সিট’র সিকুয়েন্স-এ যথেষ্ট গড়মিল লক্ষ্য করা গেছে। বেশকিছু সিআই (বানিজ্যে) ছাত্রছাত্রীর পরীক্ষা সি৩ (মানবিক ও বিজ্ঞান) প্রশ্নপত্রে নেওয়া হয় যাতে বানিজ্যের ছাত্রছাত্রীরা তাদের বানিজ্য বিষয়সমুহে প্রশ্নপত্র পায়নি।

এতে পরীক্ষার হলে বানিজ্যে ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্রছাত্রীরা তাৎক্ষনিক অভিযোগ করে কোন ফল পায়নি। ভর্তি পরীক্ষা কমিটির এ ধরনের চরম অব্যস্থাপনায় অনেক মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী সঠিক ফলাফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলণে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষন করলে প্রায় সকল ইউনিটে ব্যাপক অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ার প্রমান পাওয়া গেছে বলে দাবী করেন। উদাহরণ হিসেবে তারা বলেন, প্রথম শিফট এফ-১ থেকে ৪৭ জন (১৫ ভাগ) আর ২য় শিফট এফ-২ থেকে ২৬৩ জন(৮৫ ভাগ) পরীক্ষার্থীকে মেধায় চান্স দেয়া হয়েছে। এমন ত্রুটিপূর্ণ ফলাফল কোন ভাবেই গ্রহণ করা যায় না। অন্যান্য ইউনিটের ফলাফলেও উল্লেখযোগ্য বৈষম্য দেখা গেছে।

তারা অনিয়ম হিসেবে তুলে ধরে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সহযোগী সদস্য সচিব এবং প্রশ্নপত্র কমিটির গোপনীয় সকল কাজে জড়িত ড. মো. খালিদ হোসেনের নাম। তিনি ভর্তি কমিটি এবং প্রশ্নপত্র কমিটিতে ছিলেন অথচ তার প্লাসমিড প্লাস নামের ভর্তি সহায়কিা উদ্বোধন ও পৃষ্ঠপোষকতা করে ভর্তি পরীক্ষাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলের অসামঞ্জস্যতাদুরীকরণসহ সকল অনিয়মাতান্ত্রিক কর্মকান্ডের বিষয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ড. এটিএম শফিকুল ইসলাম, প্রফেসর ড. সাইফুর রহমান, প্রফেসর ড. এএসএম হারুন-উর-রশীদ, প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন আলম, প্রফেসর ড. মামুনুর রশীদ ও প্রফেসর ড. ফেরদৌস মেহবুব প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য