রিক্সা চালক পিতার সন্তান আশাদুল ইসলাম একবেলা পড়ালেখা আরেক বেলা গার্মেন্টেসে কাজ করে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের সাথে পাশ করে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ৬৬তম স্থান করে ভর্তির সুযোগ পেয়েও, শুধুমাত্র অর্থাভাবে ভর্তি হতে পাচ্ছে না।

ভর্তির শেষ তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই সে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছে। কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা নদী বেষ্টিত শহীদবাগ ইউনিয়নের প্রানচর গ্রামের রিক্সা চালক আকিদুল ইসলামের একমাত্র পুত্র সে। ২ শতক জমির উপর বাড়ী ভিটা ছাড়া কোন জমি জমা নাই তাদের। রিক্সা চালক পিতা ধার দেনা করে পরপর ৩ মেয়েকে বিয়ে দিয়ে প্রায় নিঃস্ব।

এ অবস্থায় আসাদুল এসএসসি পাশের পর ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্ট কোম্পানীতে কাজ করে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.২৫ পায়। কোন প্রকার কোচিং প্রাভেট না পড়েও গার্মেন্টে কাজ করার পাশাপাশি কঠোর অনুশীলনের মাধ্যে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বব্যিালয়ে (হাবিপ্রবি) তে ভর্তির সুযোগ পায় সে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে প্রায় ২০ হাজার টাকা দরকার।

এছাড়াও ভর্তি হয়ে শিক্ষা জীবনের বাকী পথ কী ভাবে পারি দিবে তা তার জানা নাই। আসাদুলের মা আসমা বেগম কান্না জরিত কন্ঠে বলেন ছেলে আমার খেয়ে নাখেয়ে গার্মেন্টে কাজ করে এপর্যন্ত এসেছে। আমরা গরীব মানুষ, ছেলের অনেক স্বপ্ন উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবার, দেশ ও দশের সেবা করার। কিন্তু উচ্চ শিক্ষা অর্জনে তার বড় বাঁধা দারিদ্রতা। তিনি ছেলের উচ্চ শিক্ষার জন্য সমাজের বিত্তবান ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তির সাহায্যে সহযোগিতা কামনা করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য