লাক্স সুপারস্টার মেহজাবিনের অভিনয় এখন শুধু দর্শকদেরই মুগ্ধ করে না, নির্মাতারাও এই অভিনেত্রীর ভক্ত হয়ে গেছেন। বিশেষ করে ‘বড় ছেলে’ নাটকে তার অভিনয় সবাইকে প্রভাবিত করেছে। সুবর্ণা মুস্তাফাও এই নাটকে মেহজাবিনের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। তবে এক ঘন্টার নাটক বা টেলিছবি নিয়ে মেহজাবিন ব্যস্ত থাকলেও ধারাবাহিকে তাকে একেবারেই দেখা যাচ্ছে না। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রকিব হোসেন

অনেকেই আপনাকে এক ঘন্টার নাটকের নায়িকা বলে থাকেন। ধারাবাহিক নাটকে আপনাকে দেখা যায় না কেনো?
আমি এক ঘন্টার নাটক ও টেলিছবিতে কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। ধারাবাহিক নাটকে কাজ করতে গেলে লম্বা সময় দিতে হয়। তখন ভালো ভালো এক ঘন্টার নাটক বা টেলিছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে হবে। আমি এটা করতে চাই না বলেই ধারাবাহিকে কাজ করছি না। আর আমি এই ধারার কাজ করি না পাঁচ বছর হবে। সর্বশেষ ‘নো প্রবলেম’ ধারাবাহিকে কাজ করেছিলাম। বাংলাভিশনে প্রচার হয়েছিল সেটি।

চলতি বছর আপনি বেশি আলোচিত হয়েছেন ‘বড় ছেলে’ নাটকে কাজ করে। এরপর অপূর্বর সঙ্গে কাজ করেছেন কী?
এরইমধ্যে ‘আস্থা’ শিরোনামের একটি নাটকে আমি আর অপূর্ব ভাইয়া জুটি হয়ে কাজ করেছি। এ নাটকটিরও পরিচালক মিজানুর রহমান আরিয়ান। বর্তমান সময়ের প্রেমের গল্প নিয়ে নাটকটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। এটি এখনো প্রচার হয়নি।

শুনেছি বড় ছেলের পর নির্মাতারা আপনার দিকে আগের চেয়ে বেশি ঝুঁকছেন। এটা কি সত্যি?
হ্যাঁ, এখন আমার কাছে আগের চেয়ে বেশি স্ক্রিপ্ট আসছে। তবে আমি আমার কাজের পরিধি বাড়াইনি। আগে যে পরিমাণ কাজ করতাম, এখনো তা-ই করছি।

কয়েকদিন আগে ‘মানুষ’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন। এতে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন, জানতে চাই।
অটোরিকশায় ফেলে যাওয়া এক যাত্রীর টাকাকে উপজীব্য করে এই নাটকটির কাহিনী এগিয়ে গেছে। এতে আমি অভিনয় করেছি অটোরিকশার চালকের মেয়ের চরিত্রে। নাটকে অটোরিকশার চালক ফজলুর রহমান বাবু। গল্পের একপর্যায়ে দেখা যায়, মেয়ের কারণেই বাবা সৎ পথে ফিরে আসেন। এটি আমার অভিনয়জীবনে মনে রাখার মতো একটি কাজ হতে পারে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য