দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেছেন, জিংক সমৃদ্ধ চালের ভাত খেলে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে।

মানব দেহে খনিজ উৎপাদন জিংকের প্রয়োজনীয়তাকে বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন একজন মানুষের যে পরিমাণ পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন তা পায় না। তাই রোগ প্রতিরোধে জিংক ধান-৭২ এর ভাতের বিকল্প নেই।

৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে আরডিআরএস বাংলাদেশ দিনাজপুর ইউনিট আয়োজিত হার্ভেস্ট প্লাস প্রজেক্টের আওতায় কৃষক শৈলেন চন্দ্র’র জমিতে জিংক ধান-৭২’র কর্তন ও মাঠ দিবসে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। মোহনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ……….এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরডিআরএস বাংলাদেশ দিনাজপুর ইউনিটের কর্মসূচী ব্যবস্থাপক (মাঠ সমন্বয়) তপন কুমার সাহা।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হার্ভেস্ট প্লাস প্রোগ্রাম এর এআরডিও মোঃ রুহুল আমিন মন্ডল, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রবিউল আলম। উল্লেখ্য আরডিআরএস বাংলাদেশ হার্ভেস্ট প্লাস প্রজেক্টের আওতায় চলতি আমন মৌসুমে চাষাবাদের জন্য দিনাজপুর জেলার সদর, বীরগঞ্জ, বিরল ও বোচাগঞ্জে ৫৫০ জন কৃষককে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি-ধান-৭২ এবং ৫০০ জন কৃষককে ব্রি ধান-৬২’র বীজ বিতরণ করে।

তার মধ্যে মোহনপুর ইউনিয়ন ফেডারেশনের ১৫০ জন কৃষককে ব্রি ধান-৭২ ও ১০০ জন কৃষককে ব্রি ধান-৬২’র বীজ বিতরণ করে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য