কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ কাহারোলে তেলমাখা ঘাটের উপর ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে বাঁশের সাকো দিয়ে পথচারী ও এলাকার সাধারন জনগন। ফলে যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এলাকাবাসীর দাবী অবিলম্বে তেলমাখা ঘাটে একটি ব্রীজ নির্মানের।

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা সদর থেকে দক্ষিণ পূর্ব প্রায় ৪ কিঃ মিঃ দুরে অবস্থিত পূণর্ভবা নদীর তেলমাখা ঘাট স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ব্রীজ নির্মান না হওয়ার কারণে এলাকাবাসী বর্ষা মৌসুমে নৌকা এবং শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাকো দিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে জীবনের ঝুকি নিয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র/ছাত্রী ও রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী বিরল উপজেলার জন সাধারণ এই তেলমাখা ঘাট দিয়ে কাহারোল উপজেলা সদরে প্রতিনিয়ত আসতে দেখা যাচ্ছে।

তেলমাখা ঘাটে দীর্ঘদিন ধরে কোন ব্রীজ নির্মান না হওয়ার ফলে জনসাধারণ অতিকষ্টে মটর সাইকেল, ভ্যান গাড়ী সহ বিভিন্ন যানবাহন পারাপার করছেন জীবনের ঝুকি নিয়ে। জানা যায়, এই তেলমাখা ঘাটে ব্রীজ নির্মানের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যে অবহিত করা হলেও আজ পর্যন্ত তেলমাখা ঘাটে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়নি।

প্রতিনিয়ত অতিকষ্টে বাঁশের সাকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে প্রায় ১ হাজার থেকে দেড় হাজার পর্যন্ত পথচারী। তেলমাখা ঘাট এলাকার হরেন্দ্র নাথ রায়, মোঃ আব্দুল্লাহ, মিজানুর রহমান, বকুল হোসেন, সত্যজিৎ রায় সহ অনেকেই জানান, আমাদের এলাকাবাসী এই তেলমাখা ঘাট দিয়ে চলাচল করে থাকি এবং কি আমাদের অতিকষ্টের কৃষিপণ্য নিয়ে কাহারোল বাজারে বিক্রির জন্য যেতে পারছি না।

প্রায় ১০ কিলো মিটার ঘুরে কাহারোল বাজারে যেতে হয় পন্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য। এদিকে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল মান্নাফ জানান, তেলমাখা ঘাটের উপর ব্রীজ নির্মাণের জন্য একটি প্রাক্কলন তৈরি করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঢাকা এর নিকট পাঠানো হয়েছে। তবে এই ব্রীজটি নির্মাণের সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৪/৫ কোটি টাকার মতো। এলাকাবাসী দাবী অবিলম্বে এই পূণর্ভবা নদীর তেলমাখা ঘাটে একটি ব্রীজ নির্মানের জন্য।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য