‘ইন্ডাস্ট্রির এখন যে অবস্থা তাতে দ্বন্দ্ব নয়, বরং দ্বন্দ্ব ভুলে সবাইকে এক হয়ে ভালো কাজ করতে হবে। নানা কারণে এখন আমাদের দেশের অনেক ছবির শুটিং দেশের বাইরে করতে হচ্ছে। তা শিল্পী থেকে শুরু করে ছবির টেকনিশিয়ানসহ সবার জন্যই ক্ষতিকর। তা থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে।

আসলে সব ঝুট-ঝামেলা হতে মুক্ত থেকে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।’ বললেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর রাজমনি ঈশা খাঁ হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান চলচ্চিত্র নিয়ে তিনি কথা বলেন।

‘চালবাজ’ ছবির শুটিংয়ের জন্য গত ১২ অক্টোবর ভারতের হায়দরাবাদ যান শাকিব খান। ১৮ দিন শুটিং শেষে ঢাকায় ফিরেছেন তিনি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘শিল্পী এবং শিল্পকে কোনো নিয়মকানুনের মধ্যে বাধা যায় না। কারণ, তাদের কাজে শুধু শারীরিক পরিশ্রম নয় বরং মানসিক শ্রমটাও পুরোপুরি দিতে হয়। তাই তাদের জন্য সুন্দর কাজের ক্ষেত্র তৈরি রাখতে হবে সব সময়।’

ইদানীং তাঁকে ঘিরে নানা বিতর্ক হওয়া প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, ‘আমাকে একজন মানুষ একটা কথা বলেছেন। তা হলো, বড় হতে গেলে বাধা আসবেই। আর এমন একজন মানুষ এ কথা বলেছেন যে তাঁর কথার মাঝেই আমি সব উত্তর পেয়ে গেছি।’

এদিকে ‘রাজনীতি’ সিনেমার সংলাপে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার যাত্রাপাশা গ্রামের অটোরিকশার চালক ইজাজুল মিয়ার মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করায় চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও ৫০ লাখ টাকার মানহানির মামলা করা হয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর ইজাজুল মিয়ার করা এই মামলায় ‘রাজনীতি’ সিনেমার পরিচালক বুলবুল বিশ্বাস, প্রযোজক আশফাক আহমেদকেও অভিযুক্ত করা হয়।

এ ব্যাপারে শাকিব খান বলেন, ‘একজন শিল্পী হিসেবে আমি শুধু আমার সংলাপ বলেছি। সেটা কার মোবাইল ফোনের নম্বর, নম্বরটা সঠিক কি না, এটা আমার দেখার বিষয় নয়। তা আমার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এটা আসলে ছবির প্রযোজক, পরিচালক আর স্ক্রিপ্ট রাইটারের ব্যাপার। এটা তাঁদের ওপর বর্তায়। আমার জায়গায় যদি অন্য কোনো হিরোর মুখ দিয়ে সংলাপটা যেত, তার তো কিছু করার ছিল না।’

শাকিব আরও বলেন, ‘খবরটি শুনে আমি খুব হেসেছি। আমি তো তখন “চালবাজ” ছবির শুটিংয়ে কলকাতা ছিলাম। বিস্তারিত কিছু জানতাম না। দেশে এসে সব শুনলাম। এখনো আমি লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। এটা আদৌ কোনো মামলার গ্রাউন্ডে পড়ে কি না, তা-ও আমার জানা নেই।’

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য