দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলায় ঠান্ডা-গরম আবহাওয়ার কারনে জ্বর সর্দি ও ঠান্ডা জনিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। উপজেলার রামচন্দ্রপুর, মুকুন্দপুর, রসুলপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় খোজ নিয়ে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১২০ জন রোগী বহিঃবিভাগে আসে। তার মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ ভাগ ঠান্ডা জনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। এলাকার রবিন্দ্রনাথ জানান, কার্তিক মাসের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনেক পরিবর্তন হয়েছে। দিনের বেলায় গরম থাকলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা নেমে আসে।

ভোর রাতে ঠান্ডার মাত্রা বাড়ে। প্রায় প্রতিদিন সকালে কুয়াশায় ভোরে যায়া চারিদিক। কুয়াশা কাটতে অনেক বেলা হয়ে যায়। এইরকম আবহাওয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সর্দি, জ্বর ও ঠান্ডা জনিত বিভিন্ন রোগ দেখা দিয়েছে। শিশু ও বয়স্করা এসব রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আক্তার বানু বলেন, দিনের বেলায় ফ্যান চালাতে হয়, আর রাতের বেলায় কাথা গায়ে দিতে হয়।

এরকম আবহাওয়ার কারনে ঘরে ঘরে সর্দি, জ্বর আর ঠান্ডাজনিত নানা রোগ দেখা দিয়েছে। উপজেলার রামচন্দ্রপুর, বারিভাসা, পৌরিয়া এলাকার প্রায় ২০ জন গৃহিনী একই ধরনের কথা বলেন। উপজেলার পল্লী চিকিৎসক রহমত হোসেন বলেন, গত ১৫ দিনে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বেশির ভাগই জ্বর, সর্দি, ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি।

একই ধরনের কথা বললেন, কাহারোল বাজারের আরও ৬/৭ জন পল্লী চিকিৎসক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর পরিবার ও স্বাস্থ্য পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ আরোজ উল্লাহ বলেন, ঠান্ডা জনিত রোগ নিয়ে রোগীরা ভীড় করছে বেশি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হিলারী হেমরম বলেন, তাদের এখানে নিমোনিয়া সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত বেশ কয়েকজন রোগী ভর্তি আছে এছাড়া বেশির ভাগ রোগী বহিঃ বিভাগ থেকে চিকিৎসা নিয়ে যাচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য