ঘোড়াঘাট দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর ঘোড়াঘাট উপজেলার দক্ষিন দেবীপুর গ্রামের মোঃ আব্দুল কুদ্দুস মন্ডলের পুত্র মোঃ রতন মিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপহরণ, ধর্ষন, হত্যা ও গুমের মামলা করায় বুধবার ঘোড়াঘাট প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠের করেন, আমি লেখাপড়ার পাশাপাশি জিবিকার তাগিদে সামান্য ব্যবসা করিয়া আসিতেছি।

এমতাব পাশ্ববতী কশিগাড়ী গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে নাজনিন আকতার আকতার ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী ৮ সেপ্টেম্বর সকাল বেলা বাড়ী থেকে বাহীর হয়ে নিখোজ হয়ে যায়। ইতিপুর্বে আমার জানামতে সে আরও কয়েকবার নিখোঁজ হয়। উক্ত নিখোঁজ নাজনীন আকতারের বিষয়ে তার পিতা নজরুল ইসলাম আমাকে সন্দেহজনক ও আমার পরিবারের আরও পাঁচজনকে বিবাদী করে দিনাজপুর বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

ওই দিন সকালে মেয়ের বাবা নজরুল ইসলাম আমার বাড়ীতে খোজখোবর নিতে আসে। তার সঙ্গে কথা হলে নজরুল ইসলাম বলে আমার মেয়ে তোমার বাড়ীতে এসেছে । তখন আমি ঘুম থেকে ওঠিনি। ১১ সেন্টেম্বর নানজনীনের পড়ার টেবিলে যে টিঠি পাওয়া গেছে তা নাজনীনের লেখার সাথে কোন মিল নেই। যাহা বর্তমান পুলিশ কর্তৃক তদন্তাধিন রয়েছে। অভিযোগকারির কন্যা নিখোজের দিন হইতে আমি এলাকায় চলাফেরা করতেছি।

লেখা পড়ার পাশে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি। রতন আরও উলে¬খ করেন, নাজনীন আকতারের সাথে আমার ও আমার পরিবারের সাথে কোন সম্পর্ক ছিল না এবং অদ্যাবধিও নেই। নাজনীন আকতারের পিতা একজন ধুরন্ধর, মামলাবাজ এবং পর অর্থ লোভী।

নজরুল ইসলাম নিজেই তার মেয়েকে আত্মগোপন করে ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে আমার ও আমার পরিবারের উপর মামলা চাপিয়ে দিয়েছে। এই মিথ্যা অপহরণ, ধর্ষন, হত্যা ও গুমের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যা মামলার তীব্র প্রতিবাদ করছি এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার আশা করছি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য