ইচ্ছে ছিল লেখাপড়া শিখে বড় চাকরি করে সংসারের হাল ধরবো। বাবা খুব কষ্ট করে সংসার চালান। আর মা অন্যের বাড়ীতে কাজ করেন। তাই স্বপ্ন ছিল চাকরি করে তাদের দুখঃ ঘোচাবো। কিন্তু আর মনেহয় আমার স্বপ পুরন হচ্ছেনা। আমার দুটি কিডনিই প্রায় অকোজো হবার উপক্রম। কথাগুলো বলেই কান্নায় ভেঙ্গে পরেন হিমেল (১৫)। সে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড থানাপাড়ার মোঃ শাহজাহানের ছেলে ও ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বানিজ্য বিভাগের দশম শ্রেণির ছাত্র।

বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হিমেল। তার দুটো কিডনিই নষ্ট হবার পথে জানতে পেরে ভেঙ্গে পড়েছেন পুরো পরিবার।বর্তমানে তারা রংপুর মেডিক্যেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ আনিসুজ্জামানের তত্বাবধানে রয়েছেন।

মেধাবী ছাত্র হিমেল বলেন, গত একমাস থেকে সে অসুস্থ্য হয়ে বিছানায় পরে রয়েছে। অভাবের সংসারে ইতিমধ্যেই লেখাপড়া বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে তার উপর কিডনি নষ্ট হওয়ার পথে। কিভাবে কি হবে বুঝে উঠতে পারছি না।

তিনি জানান, ডাক্তার বলেছে কিডনির পয়েন্ট বর্তমানে ১৮। দশদিনের ওষুধ দিয়েছে। এরমধ্যে ভাল না হলে ডায়ালাসিস করতে হবে। এতে প্রায় দুলক্ষ টাকার মত ব্যায় হতে পারে। তবে এতটাকা দিয়ে চিকিৎসা করানো তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব না। হিমেলের বাবা পথে ঘাটে ছাতা ঠিক করে সংসার চালান। ছেলের এমন খবরে তার চোখ বেয়ে শুধুই অশ্রু ঝড়ছে। খুব দ্রুত তার উন্নত চিকিৎসা না হলে হিমেলকে যেতে গবে না ফেরার দেশে।

তাই সন্তানকে বাচাতে সে সমাজের বিত্তবান ও সমাজপতিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। হয়ত একটু সহযোগিতায় সে আবার সুস্থ্য হয়ে লেখাপড়া শিখে পরিবারের হাল ধরতে পারেন। হিমেলের জন্য সাহায্য করতে এগিয়ে আসুন।

তাকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা জনতা ব্যাংক ডোমার শাখায়-২৮৫৩ নম্বরে বা ০১৭৯৯২৮৮৬৪৫ নম্বরে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানা যাবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য