দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে কৃষকেরা আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে। যদিও গতবার আলুর ফলনে কৃষকেরা লাভবান হতে না পারনি সেই দুশ্চিন্তা থাকা সর্তেও কৃষকেরা থেমে নেই আলুর চাষ থেকে।

বর্ষা মৌসুমের শেষে ও রবি মৌসুমের শুরুতে আগাম উৎপাদনশীল উন্নতজাতের আলুর বীজ বোপন শুরু করেছে চাষীরা।

খানসামা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অধিকাংশ উঁচু জমি আগাম জাতের ধান কাটার পর শীত মৌসুম আসার আগেই এসব জমিতে চাষীরা আগাম ফলনশীল গ্রানুলা আলুর বীজ বোপন শুরু করেছে। খানসামা উপজেলার বেশী কিছু এলাকা ঘুরে এবং কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে রবি মৌসুমের শুরুতে অধীক লাভের আশায় গ্রানুলা ও মাত্র ৬০ দিনে ফলন ঘরে তোলা যায় এমন আলুর বীজ রোপন করছে কৃষকেরা।

খামারপাড়ার বেশ কিছু কৃষক এদের মধ্যে মোঃ আজিজুল হক, তহিজ উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন ও আঙ্গারপাড়ার হাবিল মিয়া, রমজান আলী এবং চাকিনীয়া গ্রামের আবুল মিয়া, মকবুল হোসেন, গণিমিয়াসহ অনেক কৃষক এসব বীজ চাষে বেশী আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তবে তারা জানান, ভালো বীজের সংকট থাকা শর্তেও এবং একরপ্রতি জমিতে আলুর বীজ রোপন করতে চাষ, রাসায়নিক সার, মজুরী, বীজ ও গোবর সার ক্রয় করতে খরচ হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।

এত খরচ করার পরও আলুর দাম নিয়ে ভাবনায় পরেছেন কৃষকেরা। তবে উন্নতজাতের বীজ যথেষ্ট পরিমাণে পাওয়া গেলে আলু উৎপাদনে কৃষকেরা আরো অধিক আগ্রহ প্রকাশ করতেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য