ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর ঘোড়াঘাট রাত হলেই চুরি, ডাকাতি, ছিনতায়,নিত্য নৈমিত্তি ঘটনা ঘটছে। ঘাড়াঘাট উপজেলায় রাত হলেই কোথাও না কোথাও ডাকাতি, চুরি ছিনতাই, গরু চুরি ঘটনা ঘটেই চলেছে।

উপজেলায় এক সপ্তাহে খোদাদপুর কলোনি গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের বাড়ী থেকে দেশী, বিদেশী ৩ টি গাভি ছুরি হয়, রোববার রাতে রামপুর টুকঘুড়িয়া গ্রামের আবুতাহেরের বাড়ী থেকে গরু চুরি করতে গিয়ে চোরেরা গ্রামে লোকর ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যা, মঙ্গলবার রাতে সাগরপুর গ্রামের জহুর ইসলামের বাড়ী থেকে ডাকাতেরা ডাকাতি করে নিয়ে পালিয়ে যায়,শনিবার মাঝিয়ান গ্রামের আনোয়ারের বাড়ীতে ডাকাতি সংঘটিত হয়, বৃহস্পতিবার খোদাদাপুর বাওপুকুর গ্রামের ইসমাইল বাড়ীতে চুরি হয়েছে। চোরের নগত ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায় ।

এ ঘটনায় পুলিশ পরদিন জাহিদুল নামের এক চোরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। থানা পুলিশ চুরির মামলা না নিয়ে ৮ ইয়াবা দিয়ে তাকে জেল হাজতে প্রেরন করে। ২৯ আক্টোবর রাতে উপজেলার সিংড়া ইউনিয়নের দক্ষিন দেবীপুর গ্রামের মতিয়ার রহমান মাষ্টারের বাড়ীতে ডাকাতি সংঘটিত হয় ডাকাতরা নগদ অর্থসহ স্বর্ণা লংকার লুট করে নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ব্যবহার করা একটি বড় হাসুয়া ফেলে যায়।

একই রাতে ঘোড়াঘাট দিনাজপুর সড়ক সংলগ্ন সোনামুখী নামক স্থানে আনছার আলী ছিদ্দিক মিয়ার দোকানে মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। ৩১ অক্টোবর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলার পাবৃতীপুর গ্রামের আঃ জলিলের পুত্র ইউনুছ আলীর বাড়ীতে ডাকাতি সংঘটিত হয়। ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ চুরি ডাকাতি অভিযোগ বা এজাহার না নিয়ে শুধু মাত্র মাদক মামলা গ্রহন করছে।

এ কারনে আইনশৃখলার চরম অবনতি ঘটছে। এলাকাবাসীর মাঝে চুরি ডাকাতির আতস্ক বিরাজ করছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য