অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন পেরি পদত্যাগ করেছেন।

বাবার সূত্রে যুক্তরাজ্যেরও নাগরিক হওয়ায় তিনি পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন বলে খবর বিবিসির।

এর আগে শুক্রবার দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে অস্ট্রেলিয়ার হাই কোর্ট দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী বার্নাবি জয়েস ও আঞ্চলিক উন্নয়ন মন্ত্রী ফিওনা ন্যাশসহ পাঁচ সাংসদকে অযোগ্য ঘোষণা করেছিল।

চলতি বছরের জুলাই থেকে সাংসদদের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক ঝড় তোলে। অন্য দেশের নাগরিকত্ব আছে কি না, এই ব্যাপারে অসংখ্য সংসদ সদস্য জনসমক্ষে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বাধ্য হন।

দেশটির সংবিধানে দ্বৈত-নাগরিকদের নির্বাচনে অংশ নিতে নিষেধাজ্ঞা আছে।

বুধবার এক বিবৃতিতে লিবারেল পার্টির পেরি বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় তিনি ‘বৈধ উপায়ে’ নির্বাচিত হননি। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নাগরিকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরপরই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

দেশটির সিনেটে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকারের মতোই।

অস্ট্রেলিয়ার জোট সরকারে লিবারেল পার্টির অবস্থানই সংখ্যাগরিষ্ঠ; শুক্রবার আদালতের রায়ে অযোগ্য ঘোষিত হওয়া জয়েস ও ন্যাশ ছিলেন জোটের শরিক দল ন্যাশনাল পার্টির সাংসদ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য