প্রথমবার দুজন মিলে বেড়াতে যাওয়া সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে সম্পর্ক ও ভালোবাসার মাত্রা বুঝতে চাইলে সঙ্গীকে ছাড়াও ভ্রমণে যাওয়ার দরকার আছে।

সঙ্গীকে নিয়ে বেড়াতে যেমন আনন্দ আছে তেমনি জীবনে বেশকিছু সুখস্মৃতি যুক্ত হয়। তাছাড়া অপরিচিত পরিবেশে আপনারা একে অপরকে কীভাবে অনুভব করেন আর পরিবেশের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারেন- সেটাও জানা হয়ে যায়। তাই সম্পর্কে গভীরতা বাড়াতে দুইজন একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়া লাভজনক।

এই বিষয়ের উপর প্রকাশিত সম্পর্কবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, একা বেড়াতে যাওয়ার মাধ্যমে আপনি ব্যক্তি ও সঙ্গী হিসেবে নিজেকে আবিষ্কার করতে পারবেন এবং এটা আপনার সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্তরদৃষ্টি প্রদান করতে সাহায্য করবে।

নিজেকে আবিষ্কার করুন: সম্পর্ক মানেই হল ছাড় দেওয়া অথবা মানিয়ে চলা। একা বেড়াতে গেলে অনেক বিরূপ পরিবেশের মধ্য দিয়ে আপনাকে যেতে হতে পারে। ফলে আপনি অনেক বেশি শক্তিশালী ও উদার মানসিকতা নিয়ে ফিরে আসতে পারবেন। সত্যি বলতে, প্রথমবার আপনার যে গুণগুলো দেখে আপনার সঙ্গী প্রেমে পড়েছিলেন, আপনি ঠিক সেভাবেই ফিরে আসবেন।

দুজন দুজনের কাছ থেকে বিরতি নিন: প্রেমের শুরুর দিকে একসঙ্গে থাকা বেশ আগ্রহের বিষয়। তবে মাঝে মধ্যে একে অপরের কাছ থেকে দূরে থাকা সম্পর্কের জন্য ভালো। আপনি আসলে কী চান বা আপনি এখন কোন অবস্থানে আছেন সে সম্পর্কে নিজে ভাবার সময় পাবেন যা ভবিষ্যতের জন্য ভালো।

সতেজ থাকুন: সঙ্গীর সঙ্গে রুটিন করে দেখা করার বেশ সুবিধাজনক, তবে এটা আপনার জীবনকে একদম পানসে করে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে স্থানের পরিবর্তন আপনাকে চনমনে রাখবে এবং দৈনন্দিন জীবন আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

শূন্যতা টান বাড়ায়: সম্পর্কে দূরত্ব আসলে তা দুজনকেই বোঝাতে সাহায্য করে যে একে অপরের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং তা মুখে প্রকাশ করতেও সাহায্য করে।

ভালো শ্রোতা হিসেবে গড়ে তুলে: বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন, কাজের চাপ, সামাজিকতা রক্ষা ইত্যাদি সব কিছু মিলিয়েই একে অন্যকে নিবিড়ভাবে সময় দেওয়াটা বেশ কষ্টকর হয়ে যায়।

এক্ষেত্রে সাময়িক দূরত্ব দুজনকে বেশ ভালো শ্রোতা হিসেবে গড়ে তোলে। অর্থাৎ সঙ্গী কী বলতে চাইছে তা মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়। ফলে আপনারা দুজনই সম্পর্কের লক্ষ্য সুন্দরভাবে অর্জন করতে পারবেন।
ছবি: রয়টার্স।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য