দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর ঘোড়াঘাটে গোখাদ্য খরের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গোখাদ্য খরের দাম দ্বিগুন হয়েছে। সাম্প্রতিক বন্যার পর গোখাদ্য সংকটে দিশেহারা হয়ে পরেছে খামারি ও গরু লালন-পালনকারীরা। গোখাদ্যের মুল্যবৃদ্ধি ও খরের আকাশছোঁয়া দাম বেড়ে যাওয়ায় হতাশায় পরেছে গরু লালন-পালনকারীরা।হাট বাজারে বোঝা বেঁধে ভানে করে বিক্রয় করছে । আর এসব খর চরা মুল্য বাজারে বিক্রয় হচ্ছে ।অনেকেরই এই গোখাদ্য কেনার সামর্থ্য না থাকায় অনেক কৃসক গবাদি প্রানি বাজারে বিক্র করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এখন বাজারে গরু ছাগলের দাম অনেক কমে যায়। কৃষকেরা শুকনা খাবার শেষ হওয়ায় চিন্তিত হয়ে পরেছে।

কৃষক দের চরা দামে গো খাদ্য সংগ্রহ করতে পারলেও বিপদে পরেছে দরিদ্র কৃষকেরা। পরিবারের আর্থিক সংকট পুরনের পর আবার গো খাদ্য ক্রয় করতে হচ্ছে। ভোরবেলা বউ ছেলে মেয়েরা তাদের গবাদি প্রানি গ্রামের পারিত্যক্ত যায় গায় বেধে আসতো। এখন সে সব জায়গা গুল রোপন করার ফলে কৃষকেরা তাদের গবাদি পশু নিয়ে দিশেহারা হয়ে পরেছে। ব্যাপক চাহিদা ও চরাদামের কারনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খর গুল এনে বোঝা বেঁধে ভ্যানে করে বাজারে বিক্রয় করতে দেখা যায়। প্রচুর বৃষ্টি পাত বন্যা হওয়ায় নিচু জমি গুল ডুবে যাওয়ার ফলে কাঁচা ঘাস মিলছে না। তাই শুকনো খাদ্য র্নিরভর হয়েছে পড়েছে গাদি পশুর।

এবারের ভয়াবহ বন্যায় ঘাস মরে যাওয়ায়, কোথাও পাঁেচ যাওয়ায় বিকল্প খাদ্য হিসাবে প্রচলিত খাবারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। চোকর, ভুসি, খৈল, চালের খুদ, গুড়া, খোসা প্রভৃতির দাম বেড়ে যাওয়ায় কুলাতে পারছেনা গরু লালন-পালনকারীরা। অনেক গরু লালন-পালনকারীরা গোখাদ্য দাম বেড়ে যাওয়ায় গরু হাটে বিক্রি করে দিচ্ছেন। কৃষকরা জানান, বন্যার পানি জমিতে দীর্ঘ দিন জমে থাকায় ঘাস মরে ও পচে যাওয়ায় করনে গরুর ঘাস পাওয়া যাচ্ছে না। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও গোখাদ্য কেনা সম্ভাব হচ্ছেনা তাই গরু হাটে বিক্রি করে দিচ্ছে। হাট-বাজারে ঘুড়ে দেখা যাচ্ছে একটি ভ্যানে বোজায় করে বিক্রি করতে। প্রতিটি খর ৫শত টাকা, আর ট্রলি খর বিক্রি হচ্ছে ১৫শত থেকে ১৮শত টাকায়। যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য