প্রথম সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) থেকে নিজেদের সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে বুরুন্ডি।

বিবিসি জানিয়েছে, আইসিসি বিচারের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে আফ্রিকানদের লক্ষ্যস্থল করছে বলে অভিযোগ করেছে দেশটি।

বুরুন্ডি সরকারের বিরুদ্ধে হত্যা ও নির্যতনসহ মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। আইসিসিকে বুরুন্ডি সরকারের বিরুদ্ধে শিগগিরই বিচার শুরু করার আর্জি জানিয়েছে জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন।

২০১৫ সালে বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট পিয়েরে এনকুরুনজিজ তৃতীয় মেয়াদের জন্য প্রেসিডেন্ট থাকার সিদ্ধান্ত নিলে দেশটিতে অস্থিরতা শুরু হয়। প্রেসিডেন্টের এ সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক অভিহিত করে বিক্ষোভ শুরু করে বিরোধীদলগুলো। বিক্ষোভ দমন করতে ব্যাপক দমনাভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী।

এ সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।

নিয়ম অনুযায়ী বুরুন্ডি আইসিসি থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিলেও আদালতের চলমান তদন্তে তা কোনো প্রভাব ফেলবে না।

ফাদি এল আব্দাল্লা নামের আইসিসির এক মুখপাত্র বিবিসির নিউজডে প্রোগ্রামে বলেছেন, “অনুচ্ছেদ ১২৭ অনুযায়ী কোনো রাষ্ট্র সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিলেও (রাষ্ট্রটি সদস্য থাকাকালীন) যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে আইসিসি কর্তৃক তার বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের প্রভাব পড়বে না।”

এ কথা বলা হলেও সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরের ক্ষেত্রে দেখা গেছে সদস্য নয় এমন একটি দেশ থেকে সন্দেহভাজনদের সমর্পণ করানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা পাওয়া কতোটা কঠিন। বশির আইসিসির ‘শীর্ষ ফেরারিদের’ মধ্যে অন্যতম।

আইসিসি ত্যাগের জন্য বুরুন্ডির দাপ্তরিক নোটিশ দেওয়ার এক বছর পর তা কার্যকর হল।

আইসিসির ১২২টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ৩৪টি দেশ আফ্রিকার।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য