দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় এবারের বন্যায় বিধ্বস্ত রাস্তাঘাট এখন পর্যন্ত সংস্কার না হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে জীবনের ঝুকি নিয়ে হাজার হাজার মানুষ এসব রাস্তা চলাচল করছে। যান চলাচল ও পায়ে হেটে চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় এসব রাস্তাঘাট এখন এলাকাবাসীর জন্য মরন ফাদে পরিণত হয়েছে। সরেজমিনে উপজেলার বন্যায় বিধ্বস্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, এবার কাহারোল উপজেলায় স্মরণ কালের ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল এবং ভয়াবহ বন্যায় উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ফসল ও রাস্তাঘাটে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

অধিকাংশ রাস্তা বন্যার পানিতে নিমিজ্জিত হয়ে যাওয়ায় পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উপজেলার সকল স্তরের মানুষ। এসব রাস্তাঘাট দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। ঘটছে একের পর দুর্ঘটনা। জনগনের অভিযোগ এসব রাস্তাঘাট সংস্কারের কর্তৃপক্ষের নেই কোন উদ্দ্যোগ। এদিকে বন্যায় বিধ্বস্ত সড়ক যোগাযোগের কারণে কৃষক তাদের ফসলের ন্যার্য্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাগুলির মধ্যে রয়েছে ৫নং সুন্দরপুরের গড়নুরপুরের রাস্তা, ইটুয়া গ্রামের রাস্তা, আশ্রমের ঘাট হইতে দশমাইল যাওয়ার রাস্তা সহ উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কারণে হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। সড়কগুলি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধি সহ উপজেলার সকল স্তরের মানুষ। রাস্তাঘাট ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে দিনের পর দিন জনসাধারণকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

রাস্তাগুলি বিধ্বস্ত হওয়ার কারণে কোন অসুস্থ্য ব্যক্তিকে উপজেলা থেকে জেলা সদরে নিতে এখন চরম বিপাকে পড়তে হয়। বিশেষ করে জরুরী চিকিৎসা সেবা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ একটি জনবসতিপূর্ণ রাস্তা হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষের নেই কোন মাথা ব্যাথা। নিগমানন্দ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডা. নন্দ দুলাল বলেন রাস্তাটি বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে লোকজন যাতায়াত করছে পারছে না সকলেই চরম সমস্যায় রয়েছি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য