আফগানিস্তানে নতুন একটি ‘হান্ড এন্ড কিল’ অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) ।

আফগানিস্তানজুড়ে তালেবান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানটি শুরু করা হয়েছে বলে সোমবার মার্কিন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ডন।

গত সপ্তাহে সিআইএর পরিচালক মাইক পম্পেও জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে যুদ্ধক্ষেত্রে তালেবানকে পরাজিত করে তারপর তাদের কাবুলের সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য করতে চায়।

২১ অগাস্ট জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণেও এই নীতি ঘোষণা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের এক বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠীর বৈঠকে পম্পেও বলেছিলেন, “প্রেসিডেন্ট এটি খুব পরিষ্কার করে দিয়েছেন। তালেবানদের আলোচনার টেবিলে আনার জন্য আমরা সম্ভাব্য সব কিছু করতে যাচ্ছি। আলোচনা ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে তারা কিছু অর্জন করতে পারবে না এটি তালেবানদের ‍বুঝিয়ে দিতে হবে।”

সিআইএ আফগানিস্তানে অত্যন্ত অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের ছোট ছোট দল পাঠাচ্ছে এবং এসব দল দেশটিজুড়ে তালেবানদের খুঁজে বের করে হত্যা করবে জানিয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউ ইয়র্ক টাইমস।

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দলগুলো আফগানিস্তানের সরকারি বাহিনীগুলোকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করবে কিন্তু এতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সেনারা নাও থাকতে পারেন।

প্রতিবেদনগুলো দাবি করা হয়েছে, আফগানিস্তানে ১৬ বছর ধরে চলা লড়াই শেষ করার যে উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাতে সিআইএকে ‘ক্রমবর্ধমান পূর্ণ’ ভূমিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

ইতোমধ্যেই আফগান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।

প্রতিবেদনগুলোত বলা হয়েছে, সিআইএ আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে ড্রোন হামলা সঙ্গে যুক্ত থাকলেও স্থলে এটি প্রাথমিকভাবে আল কায়েদার সঙ্গে লড়াইয়ের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া ও আফগানিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সহায়তা করছিল। কিন্তু এখন সিআইএকে বৃহত্তর দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য