দিনাজপুর সংবাদাতাঃ জাতীয়করণের লক্ষ্যে ঘোষিত বেসরকারী, কলেজের শিক্ষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন, নন-ক্যাডার ও জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এ বর্ণিত নির্দেশনা অন্তর্ভূক্ত করে বিধিমালা জারির ৪ দফা দাবীতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। ২২ অক্টোবর রোববার দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি দিনাজপুর জেলা শাখা কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এ মতবিনিময় সভা করে।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি একেএম আল আব্দুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ তহিদুল ইসলাম লিখিত প্রতিবেদনে বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম জনবান্ধব কর্মসূচী হচ্ছে উপজেলা পর্যায়ে একটি করে বেসরকারী কলেজ জাতীয়করন করা। এ কর্মসূচীকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি এবং এর সফল বাস্তবায়নে সহায়তা করে যাচ্ছি।

এমনিতেই নানামূখী সংকটে নিমজ্জিত শিক্ষা ক্যাডার তার সাথে যুক্ত হতে চলেছে জাতীয়করনের তালিকায় থাকা ৩২৫টির মতো বেসরকারী কলেজের শিক্ষকদের শিক্ষা ক্যাডারে আত্তীকরনের আশংকা। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি শিক্ষা ক্যাডারে বেসরকারী কলেজ জাতীয়করনসহ অন্য যে কোন প্রক্রিয়ায় শিক্ষক আত্তীকরন সমর্থন করে না।

তাই আগামী ১৬ নভেম্বরের মধ্যে জাতীয়করনের জন্য ঘোষিত বেসরকারী কলেজের শিক্ষকদের প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন, নন-ক্যাডার ও জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ বর্ণিত নির্দেশনা অন্তর্ভূক্ত করে বিধিমালা জারি করা না হলে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি মহাসমাবেশ ডেকে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচী ঘোষনা করবে। তারা মতবিনিময়কালে আরো বলেন, জাতীয়করণের আদেশ জারির পূর্বেই বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে, সরকারী কর্ম কমিশন কর্তৃক গৃহিত প্রতিযোগিতামূলক বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য সুপারিশ ব্যতিত অন্য কোন পথে কোন ব্যাক্তিকে ক্যাডারভূক্ত করা যাবে না এবং সরকারীকরন করা ১২টি মডেল কলেজের শিক্ষকদেরও অনুরূপ বিধিমালার আওতায় আনতে হবে।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর সরকারী কলেজ ইউনিটের সদস্য অধ্যাপক আব্দুল জলিল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব কুমার সাহা, দিনাজপুর সিটি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অসীম কুমার বর্মন, সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক জহুরুল ইসলাম, মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, শাহেদ আলী মন্ডল ও প্রভাষক নূরে আলম সিদ্দিক।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য