জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে শুভেচ্ছা দূত বানানোয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

যুক্তরাজ্য বলছে, এই সিদ্ধান্তে তারা ‘বিস্মিত ও হতাশ’। নিজ দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির জন্য দায়ী মুগাবেকে শুভেচ্ছা দূত বানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তার অর্জনকে ম্লান করতে পারে বলেও সতর্ক করেছে তারা।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগে থেকেই তীব্র সমালোচনার পাত্র মুগাবের এই ‘অর্জন’ নিয়ে সমালোচনা করছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনও। জিম্বাবুয়ের সরকারবিরোধী গোষ্ঠীগুলো একে ‘অপমানজনক’ অ্যাখ্যা দিয়েছে বলে খবর বিবিসির।

“আমরা আমাদের উদ্বেগের কথা মহাপরিচালককে জানিয়েছে। যদিও মুগাবের নির্বাহী ক্ষমতা থাকছে না কিন্তু এই নতুন নিয়োগ সংক্রামক নয় এমন রোগ নিয়ে বিশ্বব্যাপী করা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাজকে ম্লান করে দেয়ার ঝুঁকিতে ফেলেছে,” জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্টকে শুভেচ্ছা দূত বানানোর প্রতিক্রিয়ায় বলেন যুক্তরাজ্যের এক মুখপাত্র।

মুগাবের ওপর যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরও এমন সিদ্ধান্তে ব্রিটিশ সরকার বিস্মিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জিম্বাবুয়ের মানবাধিকার পরিস্থিতির ক্রমাবনতি ও অর্থনৈতিক দুর্দশার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মুগাবেকে দায়ী করে আসছে। দেশটির স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থাপনাও সন্তোষজনক নয় বলে সমালোচকরা বলে আসছেন।

যদিও এসব আমলে নেন নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন প্রধান ড. টেড্রোস গেব্রেইয়াসুস। জনস্বাস্থ্য বিশেষ করে সংক্রামক নয় এমন রোগ ঠেকাতে ও ‘সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে’ জিম্বাবুয়ের সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন তিনি।

ইথিওপিয়ার নাগরিক টেড্রোস আফ্রিকা থেকে নির্বাচিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রথম শীর্ষ নির্বাহী। বুধবার তিনিই সংক্রামক নয় এমন রোগ ঠেকাতে অবদান রাখায় মুগাবেকে সংস্থার শুভেচ্ছা দূত হিসেবে নিয়োগ দেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য