সংবাদ সম্মেলনঃ অর্থের বিনিময়ে খানসামা থানা পুলিশ ম্যানেজ হয়ে যাওয়ায় হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার করছেনা। কন্যা হত্যার আসামীদের গ্রেফতার এবং কঠোর শাস্তির দাবী জানিয়েসংবাদ সম্মেলন করেছে হতভাগ্য এক মা।

সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে উপরোক্ত অভিযোগ করেছেন হতভাগ্য মা আনোয়ারা বেগম। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,২০১২ সালে আমার মেয়ে লিপি আরা বেগমের সাথে খানসামা থানার ভাবকী গ্রামের আলহাজ্ব শাহাদত হোসেনের বিবাহিত পুত্র মোঃ আছির উদ্দীন আসাদের সাথে বিয়ে হয়।

আসাদের প্রথম পক্ষের স্ত্রী ফুলালী বেগমের কোন সন্তান না হওয়ায় আসাদ লিপি আরাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিল। আসাদ এবং লিপি আরা’র বিবাহিত জীবনে আরবী নামের ৩ বছর বয়সের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। সংসার জীবনে স্বামী আসাদ ও সতীন ফুলালী বেগমের অত্যাচারের লিপি আরা অতিষ্ঠ হয়েও শুধু মাত্র সন্তানের মায়ায় সংসার করছিলো।

সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ারা বেগম বলেন,গত ৮ আগষ্ট রাত্রী সাড়ে ১১টা হতে ৯ আগষ্ট ভোর রাত আনুমানিক সাড়ে ৫টার মধ্যে আমার অন্তঃস্বতা কন্যা লিপি আরা বেগমকে শাররিক নির্যাতনের পর শ্বাস্বরুদ্ধ হত্যা করেছে। কন্যার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে আমরা তার বাড়িতে গিয়ে দেখি পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে প্রেরন করে। এব্যাপারে আমরা পরবর্তীতে থানায় এজাহার আকারে অভিযোগ করলে থানা মামলা নিতে গড়িমশি শুরু করে।

শেষ অবধি তারা মামলাটি গ্রহন না করলে আমি বাধ্য হয়েই দিনাজপুরের আদালতে সুবিচার প্রার্থনা করে একটি হত্যা মামলা আনয়ন করি। আদালত মামলাটি গ্রহনের জন্যে পুলিশ কে নির্দেশ দিয়েছে।মামলাটির বিষয়ে খানসামা থানার এএসআই উত্তম রায় তদন্ত করে এসে চেপে আছেন তার সাথে যোগাযোগ করেও কোন সহযোগীতা পাওয়া যাচ্ছেনা।

তিনি বলেন,আসামীরা সংঘবদ্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে আমার কন্যাকে হত্যা করেছে অভিযোগ জানানোর পরেও পুলিশ তাদের অজ্ঞাত কারনে গ্রেফতার করছেনা। উল্টো মামলার ব্যাপারে থানায় খোজ খবর নিতে গেলে পুলিশ আমাদের ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দিচ্ছে। পুলিশের এহেন আচরনে সুযোগ পেয়ে এজাহারভুক্ত আসামীরা আমাকে মামলা প্রত্যাহারের জন্যে হুমকী ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ফরজেমা খাতুন ও আফতাব হোসেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য