আনোয়ার হোসেন আকাশ, রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) থেকেঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় ২০ অক্টোবর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ও রাজশাহী হতে আসা বসবাসরত মালদোয়াদের দুই গ্রাম বাসির মধ্যে সংর্ঘষ হয়। এতে ৭জন আহত ও ১০জনকে গ্রেফতার করার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনা স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এবং পরিস্থিতি বেসামাল দেখে উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

ঘটনা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ভরনিয়া বাজারের চায়ের দোকানের কর্মচারি ইউসুফের পুত্র কে স্থানীয় খুশালি আকতার মারপিট করে। এর প্রতিবাদে বাদশা মেম্বারের পুত্র জামাল ঐ খুশালিকে মারধর করে।

এঘটনায় উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হকের নেতৃত্বে গত ১৯ অক্টোবর ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল, জেলা পরিষদ সদস্য আবুল কাশেম,যুবলীগ সম্পাদক রমজান আলী,আকবর মাষ্ঠার সহ অনেকেই স্থানীয়ভাবে ভরনিয়া বাজারে আপোষ মিমাংসায় বসে।

মিমাংসার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটি শুরু হলে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয় । এতে ঐ দিনেই নাহিদ,বাবুল, গুল্লু, রাশেদ সহ ৭ জন আহত হয়ে রানীশংকৈল হাসপাতালে ভর্তি হয়।

এ মারামারির জের ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজশাহী হতে আসা (মালদেয়া) বাসিন্দাদের মধ্যে পরেরদিন ২০ অক্টোবর ভোর স্থানীয়রা এবং রাজশাহী হতে আসা মালদোয়ারা জোট বেধে মারামারি ও সংর্ঘষে লিপ্ত হয়। সংর্ঘষ চলার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রনে হিমশিম খেলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেওয়ান লালন শাহ্ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রন আনেন । পরে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে নিতে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা খন্দকার মোঃ নাহিদ হাসান নির্বাহি ম্যাজিষ্টেট হিসাবে ভরনিয়া সম্পদবারি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন।

এঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে থানা পুলিশ ২০ অক্টোবর ইউনিয়ন বিএনপি সম্পাদক আব্দুল বারি (৫০) জিয়াউর রহমান (৩৫) বশির উদ্দীন (৩২) নুরুজাম্মান (১৯) মাহাফুজুর রহমান(১৫) আল আমিন (১৫)আবু সুফিয়ান (১৯) আঃ রহমান (২৭) লজির উদ্দীন (১৪) আঃ করিম (২৮) কে গ্রেফতার করে থানা হাজতে আটক রাখে। । এ ব্যাপারে অফিসার ইনর্চাজ আব্দুল মান্নান বিকেল ৫.৩০ মিনিটে মুঠোফোনে বলেন,বর্তমানে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য