দেশের সর্ববৃহত সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের বিভিন্ন অনিয়ম ও লুটপাটের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্তে নেমেছে।

দুনিতী দমন কমিশনের পত্রে জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের আরএফকিউ ও ইমাজেনিন্স ওয়ার্ক নামে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তা নদীর ডানতীর বাধ, বামতীর বাধ, প্রধান ক্যানেল, কলোনি সংস্কার ও মেরামত এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্রয় সংক্রান্ত্র ৬৪টি প্রকল্পের কাজ কাগজে কলমে বাস্তবায়ন দেখিয়ে কোটি কোটি সংশ্লিস্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের মধ্য ভাগবাটোয়ার অভিযোগে দুদক এ তদন্তে নামেন।

অভিযোগ উঠেছে পাউবোর কতিপয় কর্মকর্তাগণ স্থানীয় ঠিকাদারের নিকট পাউবো কর্মকর্তাগণ কাগজপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে দুদক প্রধান কায্যলয়ে প্রেরন করেন। দেশের কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ২০১৫ সালের ৪ আগস্ট ”ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৬৪ প্রকল্পের টাকা লুটপাট” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে দুনির্তী দমন কমিশন (দুদক) এ তদন্তে নামে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কায্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক ( অনু: ও তদন্ত-১) আজিজুল হকের স্বাক্ষরিত স্বারক নং-দুদক/দর/৬৩/২০১৫/ নীলফামারী/(অনু: ও তদন্ত-১)/৪০৯৮৮ তারিখ ০৬/১০/২০১৬ইং মোতাবেক গত বছরের ১৬ অক্টোবর সংশ্লিস্ট ঠিকাদার পাউবোর কর্মকর্তাদের প্রধান কার্য্যালয়ে হাজির হয়ে মন্তব্য প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু স্থানীয় ঠিকাদারের নিকট পাউবো কর্মকর্তাগণ কাগজপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে দুদক প্রধান কায্যলয়ে প্রেরন করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কায্যালয় দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা বীরকান্ত রায় আগামি ১৯ অক্টোবর ( বৃহস্পতিবার) সরেজমিনে তিস্তা দোয়ানী ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলীর কায্যালয়ে তদন্ত কাজ সম্পনের জন্য সংশ্লিস্ট ঠিকাদারসহ কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত স্বারক নং- দুদক/সজেকা/ দিনাজ/১২৬০ তাং ০২/১০/১৭ ইং মুলে চিঠি প্রেরন করেন।

ডালিয়া পওর বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বলেন, ২০১৪-১৫ সালের ৬৪টি প্রকল্পের বিষয়ে তদন্ত করতে বৃহস্পতিবার দুদকের তদন্তকারী প্রতিনিধি নিবাহী প্রকৌশলীর কায্যালয়ে আসবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য