মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ থেকেঃ বীরগঞ্জে বুধবার আওয়ামীলীগের পাল্টাপাল্টি সাংবাদিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে টানটান উত্তেজনা দলীয় কার্যালয়ের সামনে ও পৌর শহরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে গত ১৪ অক্টোবর দিনাজপুর প্রেসক্লাব কার্যালয়ে ১১ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক সম্মেলন করে। তারই প্রতিবাদে নিজস্ব বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। এ সময় তার সাথে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা করিমুল ইসলাম চৌধুরী, শিবলী সাদিক, রাজিউর রহমান রাজু, প্রভাষক জিয়াউর রহমান জিয়া, তরিকুল ইসলাম, মোস্তাক আহম্মেদ মানিক, আবুল খাইর, রবিউল ইসলাম সাবুল, রহমত আলী, জিয়াউর রহমান, আশিকুল আলম চৌধুরী, অরুন চন্দ্র দাস, শক্তি রাম রায়, আব্দুস সাত্তার, আনোয়ারুল ইসলাম, আমিনুর রহমান ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন ১৯১৪ সালে ভোটে পরাজিত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আকতারুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল জামানত হারিয়ে বিপুল ভোটে পরাজিত হন, তার ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা মরিচা ইউপি চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলাল জামায়াত-বিএনপির নেতাদের সাথে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাংবাদিক সম্মেলন করে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন সরকারের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল ব্যপক অনিয়ম দূর্নীতি, টিআর-কাবিখা-কাবিটা লুটপাট, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের চাকুরী বঞ্চিত করে টাকার বিনিময় জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদের চাকুরী দিয়েছে। তিনি দলীয় নেতাদের উপর মামলা-হামলা করে দলকে রুগ্ন বানিয়েছেন। আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পূর্বে দলের সাবেক সাংগঠনিক স¤পাদক লক্ষন চন্দ্র সরকারের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে দাড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

প্রতিপক্ষ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষনে কারনে সকাল থেকে টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আওয়মীলীগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে, পুরাতন শহীদ মিনার চত্তরসহ শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে কোন প্রকার সংঘাত ছাড়াই শান্তিপুর্ন ভাবে সাংবাদিক সম্মেলেন সম্পন্ন হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য