লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের আজীবন সাংগঠনিক সম্পাদক ও কমলাবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল ইসলাম সুরুজ হত্যার মামলাটি ১৪ বছর পর বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালত এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করতে লালমনিরহাট সহকারী জজ আদালতে নথিপত্র প্রেরণ করেন।

জানা গেছে, ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর রাতে তৎকালীন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের আজীবন সাংগঠনিক সম্পাদক ও আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল ইসলাম সুরুজ হত্যা কান্ডের শিকার হয়। পরের দিন ২২ ডিসেম্বর তার ছোট ভাই শওকত হোসেন বাদী হয়ে আদিতমারী উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান সরকারকে প্রধান করে ১৯ জনকে আসামি করে আদিতমারী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

তদন্ত শেষে আদালতে এ মামলার চার্জসিট দাখিল করেন পুলিশ। সোমবার লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু ওই আদালত বিচারিক কার্যক্রম শুরু না করে সহকারী জজ আদালতে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করতে মামলাটির নথিপত্র প্রেরণ করেন। এ মামলার প্রধান আসামি লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কমলা বাড়ি ইউনিয়নের চড়িতাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও ওই উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান সরকার ইতোমধ্যে মারা গেছেন।

এ দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল ইসলাম সুরুজ হত্যার বিচারের দাবীতে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগে নেতা-কর্মী ও সুরুজ অনুসারীরা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল ইসলাম সুরুজের ছেলে ইমরুল কায়েস ফারুক এসব তথ্য নিশ্চিত করে সুরুজ ভক্ত স্থানীয় লোকজন ও সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও মামলার বিচারিক কার্যক্রম আলোর মুখ দেখায় আমরা খুশি। আমি বিশ্বাস করি আমার বারার হত্যার ন্যায় বিচার পাবো।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য