আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের গোপালরায় পঞ্চপথী উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে একটি কুচক্রি মহল বিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ছাত্রদের শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে কথা হয়।

এই বিষয়টি নিয়ে একটি কুচক্রী মহল হীনস্বার্থে ভিন্ন ভাবে নিয়ে অপপ্রচারের মত নোংরা খেলায় মেতে ওঠে। যা বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদেরকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও নোংরামো ছড়িয়ে পরেছে। এতে এলাকায় সচেতন ও অভিভাবক মহলে ক্ষুবদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রোববার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিগত দিনগুলোর মত স্বাভাবিক ভাবেই বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির সাথে কথা বলে জানা যায়, গোপালরায় পঞ্চপতি বিদ্যালয়কে নিয়ে ষড়যন্ত্র আজকে নতুন কোন বিষয় নয়। একটি কুচক্রী মহল নিজ স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়েই তারা নোংরামি খেলায় মেতে ওঠছে। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, গত কয়েক দিন ধরে ফেসবুকে একটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে সমালোচনা করছেন। আসলে এরা কারা? যারা এই বিদ্যালয় এবং ছাত্রছাত্রীদের ভালো চায়না তারাই কিন্তু অপপ্রচারে লিপ্ত।

যারা অপপ্রচার করছেন মুলত তাদেরকেই চিহ্নিত করতে পারলেই মুল রহস্য বেড় হয়ে আসবে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিগত দিনে এই বিদ্যালয়ের ক্ষতি কারা করতে চেয়েছিল সে বিষয়ে এলাকা বাসী অবশ্যই অবগত আছেন। গুটিকয়েক খারাপ ব্যক্তিদের কারণে একটি বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন হতে দিতে পারি না। আইনের আশ্রয় গ্রহণ করছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এলাকার সম্মানিত সচেতন ব্যক্তি এবং অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে আমরা এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানাব।

সম্প্রতি গোপালরায় উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এং ছাত্রদের মধ্যে সম্পর্ক ভাল নয় মর্মে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস পোষ্ট হয়। বিষয়টি’র কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।

যে ছাত্রকে জড়িয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছে তার এবং তার বাবার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফেসবুকে যে সমস্ত বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা। উক্ত শিক্ষার্থী এবং তার বাবা এর তীব্র নিন্দা জানান এবং অপপ্রচারকারীদের কঠোর শাস্তি প্রদানের জন্য এলাকা বাসির কাছে দাবি জানান। উক্ত বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সকল অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন নির্লস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি অথচ একটি কুচক্রি মহল বার বার বিদ্যালয়টি নিয়ে নানা অপপ্রচার চালিয়ে দৈনিন্দন কার্যক্রম ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদ কুচক্রীদের বিদ্যালয় পরিপন্থী কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য