ইরাকি বাহিনী বলেছে, কিরকুকের বিশাল অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কুর্দি পিশমার্গা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতের পর তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এ অঞ্চল। তেল-সমৃদ্ধ অঞ্চলটিতে এর আগে হাজার হাজার পিশমার্গা সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে।

ইরাকের রাষ্ট্রীয় টিভি আজ(সোমবার) খুব ভোরে দেয়া ঘোষণায় বিশাল অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা জানায়। কিরকুক নগরীর পশ্চিমে অবস্থিত বিমান ঘাঁটি এবং বিমান ক্ষেত্রের মতো কৌশলগত এলাকাগুলোর দিকে ইরাকি সরকারি বাহিনী এগিয়ে যাচ্ছে বলেও খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এ ঘোষণা দেয়া হয়।

এদিকে, কুর্দি এবং ইরাকি কর্মকর্তারা বলেছেন, নগরীর দক্ষিণে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে কামানের গোলা বিনিময় হয়েছে। অবশ্য কুর্দি এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা সরকারি ঘোষণাকে নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, কুর্দি পিশমার্গা যোদ্ধাদের হাত থেকে নগরীর কোনো অঞ্চল ইরাকি বাহিনী নিতে পারেনি। এমনকি ইরাকি বাহিনী কিরকুকের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেনি বলেও দাবি করেন তিনি।

ইরাকি টেলিভিশনে প্রচারিত খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় মানুষদের সহযোগিতায় কিরকুকে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য ইরাকি সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদি।

নিষিদ্ধ ঘোষিত কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকের গেরিলাদের কিরকুকে কুর্দিস্তানের আঞ্চলিক সরকার বা কেআরজি তুরস্ক থেকে এনেছে বলে ইরাকের কেন্দ্রীয় সরকার অভিযোগ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এরকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ পদক্ষেপকে বাগদাদ সরকার যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবে মনে করছে। কিরকুকসহ বিরোধপূর্ণ অন্যান্য এলাকার ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে ঘোষণা করেছে ইরাক সরকার।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য