আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ পলাশবাড়ী জিরো পয়েন্ট থেকে রংপুর-বগুড়া জাতীয় মহাসড়কের উত্তরাংশ থেকে দক্ষিনাংশ উভয় প্রান্তরে যতদূর দু’চোখ যায় শুধুই যানজট। সারাক্ষনই একই অবস্থা। চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহন-পথচারিদের দুরাবস্থার শেষ নেই। উপরন্ত এ যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ। নিস্তার নেই। সর্বত্রই খানা-খন্দে ভরা।

অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় মহাসড়কে মহাদুরাবস্থা। নিকটাতীতে প্রতিনিয়ত যেখানে হয়তো এক সপ্তাহেও যানবাহনের চাকা পাংচার বা বাষ্টের বিকট শব্দ কানে পড়েনি। আজ সেখানে প্রতিনিয়তই টায়ার বাষ্ট হবার বিকট শব্দ কানে ভেসে আসে।

সাড়া দিন-রাতে অন্তত: ৪ থেকে ৫ টি টায়ার ফাঁটার শব্দ শোনা যায়। এতে করে একদিকে যেমন বাড়ছে পরিবহন মালিকদের আর্থিক ব্যয়।

অপরদিকে; টায়ার ফেঁটে যাবার কারণে বাড়ছে অপ্রত্যাশিত ছোট-খাট দুর্ঘটনা। উপরন্ত ওইসব যানবাহন বিকল হয়ে সড়কে অবস্থান করার ফলে যানজট আরো তীব্র থেকে চরমে উঠছে।

দেখার যেন কেউ নেই। সব যেন সরাসরি স্বয়ং সরকার প্রধানের দায়। দায়ীত্বশীল প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা যেন ভেঁড়ার পালের ছাগল। না বললেই নয়। ঠিক যেন সরকারি মে-মাল দড়িয়া মে ঢাল।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উন্নয়ন মূলক কাজে লুকোচুরি ও তুঘলোকি ছাড়া কিছুই চোঁখে পড়ে না। খোদ পলাশবাড়ীতেই সওজ বিভাগের উপ-সহকারি প্রকৌশলির বিশাল দপ্তর। জনবল উল্লেখ করার মত। কিন্তু কার খোঁজ কে রাখে। সবই দায়সাড়া গোছের। সদরের জিরো পয়েন্ট চৌমাথা মোড় থেকে একটু দক্ষিণে পোস্ট অফিস চত্বর।

স্থানটি যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। বিশাল আয়তন জুড়ে সড়কের কার্পেটিং উঠে সৃষ্টি হয়েছে হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি। যা চোঁখে না দেখলে বিশ্বাস করা দুরুহ। সড়ক বিভাগের জনবল প্রতনিয়তই স্পর্টটি’তে রাত-দিন কাজ করছে। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য কাজের কাজ যেন কিছুই হচ্ছে না। এ কাজের যেন কোন শেষ নেই। ফলে একদিকে বাড়ছে সরকারি অর্থের অপচয়। তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপ্রতিরোধ্য দূর্ণীতি। না কোন জবাব নেই। জবাবদিহিতা তো দূরের কথা। অবিরাম সংস্কার কাজের পাশাপাশি চলছে পাহাড়সম দূর্ণীতি। এ দুর্গম-গিরিপথ চলার যেন শেষ নেই।

একই স্থানে বারংবার সংস্কার কাজের সুবাদে শুভংকরের দুর্ণীতির মাত্রা দিন-দিন যেমন বেড়েই চলেছে।
একই সাথে সড়কটিতে চলাচলরত যানবাহনসহ পথচারিদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের স্থলে দুর্গতির মাত্রাও তেমনি হুঁ-হুঁ করে নাগালের বাইরে ঘুরপাক করছে। দুঃখ-কষ্টের নেই যেন কোন নিস্তার। সড়কটি চলার উপযোগি করার নেপথ্যের সব অনীহা-উদাসিনতা, অন্যায়-দুর্ণীতি ছাড়িয়ে চলার গতি বাস্তবায়নে ভূক্তভোগি মহল সরকারের দায়িত্বশীল উর্ধতন কর্তৃপক্ষের যথাযথ সঠিক পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য