রংপুরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত সুরভী উদ্যান ফিরে পেলো তার নতুন যৌবন। পার্ক কে ঘিড়ে এক সময় স্থায়ী ভাবে পার্কের সামনে যে ভাবে দোকানপাট আর নামীদামী ভ্রাম্যমান চাইনিজ এর ব্যবসার স্থায়ীবন্দোবস্ত হতে যাচ্ছিলো তাতে রংপুরের মানুষ মনে করেছিলো হয়তো একসময় আর এটি পার্ক থাকবে মার্কেট হয়ে যাবে কিন্তু বিধিবাম রংপুর প্রশাসনের বিষয়টি নজরে আসায় সুরভী উদ্যান ফিরে পেলো তার আগের সৌন্দয্য এতে খুশি রংপুরের সচেতন মহল।বলা যায় যে, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য ও রূপ রসে ভরা রঙ্গপুর কালের পরিক্রমায় রংপুর নাম ধারণ করেছে। তিস্তা বিধৌত এবং ঘাঘট, আখিরা নদীগুলো রংপুর এর মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। শহরটি যেন প্রকৃতির নিজস্ব আঁকা প্রতিচ্ছবি।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সাহিত্য, ক্রীড়াসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে রংপুর শহরটি বাংলাদেশের মানচিত্রে প্রথম সারির একটি শহর হিসাবে প্রতিষ্ঠিত। রংপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকাভূক্ত রাধাবল¬ভ মৌজার ১নং খতিয়ানভূক্ত ২৬৯০ নং দাগে এ শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রায় পাঁচ একর জমির উপর সুরভী উদ্যান অবস্থিত। ১৯৯৯ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব মোয়াজ্জেম হোসেন পার্কটি নির্মাণ করেছিলেন।

উদ্যানটিকে ইকোপার্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ০১ এপ্রিল, ২০১৬ তারিখ হতে পার্কটিতে ওয়াল্ক ওয়েসহ বিনোদনের অন্যান্য অনুষঙ্গ তৈরী করার প্রয়াসে সংস্কারের কাজ করা হয়েছে। উদ্যানটিতে প্রায় ৮০-৯০ প্রজাতির গাছ রয়েছে।

এছাড়াও অন্যান্য ঔষধি, বনজ এবং ফলজ গাছ লাগানোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। দোলনা, স্লিপার, নাগরদোলাসহ বিনোদনের অন্যান্য উপকরণ স্থাপন করা হয়েছে। পার্কটির ভিতরে অবস্থিত পুকুরটি সংস্কার করে এখানে একটি গোলঘর নির্মাণের কার্যক্রম চলমান আছে। পুকুরটিতে নৌকাসহ অন্যান্য বিনোদন উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শিশুরা যাতে অনাবিল আনন্দ অনুভব করে তার ব্যবস্থা আছে।

ইকোপার্কটি রংপুর জেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় এটিকে শিক্ষার্থী, যুবক এবং বয়স্কদের জন্য একটি সুস্থ বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত করাই বর্তমান জেলা প্রশাসনের অভিপ্রায়। কাজটি সুন্দরভাবে এবংপরিকল্পনামাফিক স¤পন্ন করা সম্ভব হলে পার্কটি সুস্থ বিনোদন এবং নির্মল অক্সিজেনের অফুরন্ত ভান্ডার হিসাবে পরিণত হতে পারে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য