বিরলে ভান্ডারা ইউনিয়নের সাওতাল পাড়া থেকে বৈরাগীপাড়া পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তায় নি¤œমানের ইটের খোয়া দিয়ে সড়ক পাকা করণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী নিম্নমানের ইটের খোয়া সরিয়ে নেওয়ার তাগাদাপত্র দিলেও তা তোয়াক্কাই করছে না সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। ঘটনায় স্থানীয় এক সচেতন ব্যাক্তি ৯ অক্টোবর সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে।

উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভান্ডারা ইউনিয়নের সাওতালপাড়া থেকে বৈরাগীপাড়া পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়ন ও একটি কালভার্ট নির্মান যার প্যাকেজ নং- আইআরআইডিপি-২/ডিআইএন/ডিডাব্লিউ-৯১ সড়ক পাকাকরণ কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়। মেসার্স আলী কন্সট্রাকশন নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। প্রাক্কলিত মুল্য ৭৮ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫১ টাকা। গত ২৭/৪/২০১৭ থেকে ২৬/০৪/২০১৭ পর্যন্ত কাজের সময়সীমা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেন।

সরজমিনে এ প্রতিবেদক গেলে উপজেলার ভান্ডারা ইউনিয়নের বৈরাগীপাড়া শরৎ চন্দ্র রায়ের পুত্র কাঞ্চন চন্দ্র রায় ও এলাকার সর্নেক চন্দ্র রায়, সেরাজুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদসহ আরও অনেকে বলেন, ঠিকাদারের ম্যানেজারকে নি¤œমানের ইটের খোয়া দিয়ে কাজ করতে বাঁধা দেওয়ার পরও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলীকে মৌখিকভাবে নি¤œমানের ইট দিয়ে কাজ করছে ঠিকাদার বিষয়টি অবহিত করায়, নি¤œমানের খোয়াগুলো দিয়ে আরো বেশি শ্রমিক এনে দ্রুত নি¤œমানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদার।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের হেড মিস্ত্রি রাশেদুল ইসলাম এফএনএস প্রতিনিধিকে বলেন, ভালোমন্দ তো দেখতেই পারছেন। আমি এ বিষয় কিছুই বলতে পারব না।

১০ অক্টোবর মঙ্গলবার উপজেলা প্রকৌশলী জাকিউর রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নি¤œমানের ইট সাইড থেকে সরানোর একাধিকবার মৌখিকভাবে তাগাদা দিয়েছি। অবঃশেষে গত ৮ সেপ্টেম্বর লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে। ইট পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরীতেও পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য