ভূমি দস্যুদের হুমকীর মূখে পরিবার পরিজন নিয়ে পীরগাছায় নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে মিঠাপুকুরের একটি পরিবার। জীবনের ভয়ে বসত-বাড়িতে যেতে পাচ্ছেন না। দীর্ঘ এক মাস ধরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে গতকাল সোমবার স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের নিকট এ-অেিভযোগ করেন তারা।

জানা যায়, পার্শ্ববর্তি মিটাপুকুর উপজেলার মির্জাপুর দিগর গ্রামের মৃত আঃ জলিলের ছেলে মুকুল প্রামাণিক অংশীদারী সূত্রে প্রাপ্ত বসত-ভিটা ও আবাদী ৭৪ শতাংশ জমি বংশ পরম্পরায় ভোগদখল করে আসছেন। দুই বছর আগে ওই জমির উপর নজর পরে একই গ্রামের মৃত মনছুর আলীর ছেলে প্রভাবশালী মোজাম্মেল হক ও আলম মিয়া এবং তাদের লোকজনের। তার মুকুল প্রামাণিককে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদের পায়তারা চালাতে থাকে। নিরুপায় হয়ে তিনি তার পূর্ব পুরুষের অংশীদারী ৫ একর ৫৭ শতক জমির উপর অংশ দাবী করে বিজ্ঞ আদালতে বাটোয়ারা মোকদ্দমা দায়ের করেন।

ওই মোকদ্দমা দায়েরের পর মোজাম্মেল হক ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ২ ফেব্রুয়ারী সকালে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে মুকুল প্রামানিকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে। এঘটনায় তিনি আদলতে অপর একটি মামলা দায়ের এবং মিঠাপুকুর থানায় সাধারন ডাইরী করেন।

মামলাগুলো বিচারাধীন থাকাবস্থায় এক মাস আগে মোজাম্মেল হকের পোষ্য সন্ত্রাসী বাহিনী মুকুল প্রামাণিক ও পরিবারের লোকজনকে প্রাণ নাশের হুমকী ধামকী দিয়ে বাড়ি থেকে বেড় করে দিলে তারা পীরগাছা উপজেলা দিলালপাড়া গ্রামে এক নিকট আতœীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে ওই আতœীয়ের বাড়িতে আশ্রিতা হিসেবে আছেন মুকুল প্রমাণিক ও পরিবারের ৬ সদস্য।

মুকুল প্রমাণিক জানান, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যা সন্ত্রাসীদের হুমকীর মূখে নিজ বাড়িতে যেতে পাচ্ছেন না। এক মাস ধরে আতœীয়ের বাড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ভূমিদস্যুদের হাত থেকে তার পরিবার রক্ষার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সহায়তা কামনা করেন।

মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, এধরনের কোন অভিযোগ তিনি পাননি। ঘটনার বিষয়ে প্রথম শুনলেন। খোজ-খবর নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য