পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে গৃহবধু সুকুমারী দাসের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় ধ্র“মজালের সৃষ্টি হয়েছে। জানাগেছে, উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের পাল্টাপাড়া গ্রামের নিহালু দাসের পুত্র বিকাশ চন্দ্র দাসের স্ত্রী সুকুমারী দাস (২০) গত বুধবার গভীর রাতে হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। নিহালু দাস তাৎক্ষনিক পুত্রবধু সুকুমারী দাসকে আটোয়ারী হাসপাতালে ভর্তি করে।

রোগীর অবস্থার অবনতি হতে থাকলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাও আধুনিক হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার রোগীর শশুর নিহালু দাস রোগীকে ঠাকুরগাও আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি না করে কৌশলে ঠাকুরগাও স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতালে ভর্তি করেন। স্বাস্থ্য সেবা হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে সুকুমারী দাস একটি পুত্র সন্তান জন্ম দিয়ে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

সুকুমারী দাসের পিতার পরিবারের অভিযোগ , মেয়ের অসুস্থ্যতার কথা আমার পরিবারের কাহাকেও বলা হয়নি। এমনকি মেয়ের মৃত্যুর খবর পর্যন্ত জানানো হয়নি। আত্মীয়ের মাধ্যমে মেয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ছুটে এসেছি।আমার মেয়ের লাশ দেখতে গেলে নিহালু দাস বাধা দেয়। সুকুমারীর পিতা তুলসী দাস আরো বলেন, আমার জামাই বিকাশ চন্দ্র দাস চাকুরীর সুবাদে ঢাকায় থাকেন। বাড়িতে শুধুমাত্র জামাইর বাবা নিহালু দাস ও মেয়ে সুকুমারী দাস থাকেন।

ইতিপুর্বে সুকুমারী দাস শ্বশুর নিহালু দাসের নির্যাতনে য়ৌতুকের দাবী পুরনের জন্য পিত্রালয়ে দুই মাস অবস্থান করে ৮০ হাজার টাকা ও একটি হিরো বাই সাইকেল যৌতুক হিসেবে নিহালুর হাতে তুলে দেন। আমার বিশ্বাস মেয়েকে কৌশলে মেরে ফেলা হয়েছে। আটোয়ারী থানার পুলিশ গত শুক্রবার সুকুমারীর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পঞ্চগড় মর্গে প্রেরন করেন। সুকুমারী দাস বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বেউরঝারি(কঞ্চিরহাট)গ্রামের তুলসী দাসের কন্যা। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য