রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ৬৫তম জন্মদিবসে রাশিয়ার প্রায় ৮০টি শহরে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে।

রাশিয়ার কারান্তরীণ বিরোধীদলীয় নেতা আলেক্সি নাভালনির সমর্থকরা শনিবার এসব বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নাভালনিকে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেয়ার দাবি তোলে। বিক্ষোভ চলাকালে রাশিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে পুলিশ ২৫০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে।

সবচেয়ে বড় বিক্ষোভটি হয়েছে সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে। এখানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং বহু বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শহরে প্রায় তিন হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। এদের অধিকাংশের হাতেই ‘নাভালনি ২০১৮’ লেখা ব্যানার ছিল।

একদল বিক্ষোভকারী পুলিশের প্রতিরোধ ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ অনেককে গ্রেপ্তার করে। পরে এদের অধিকাংশকেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

মস্কোর পুশকিন স্কোয়ারে কয়েকশত লোক বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ক্রেমলিনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করলেও পরে তাদের ছেড়ে দেয় বলে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে।

প্রেসিডেন্ট পুতিনের জন্মদিনের বার্ষিকীতে ডাকা এসব বিক্ষোভের অধিকাংশেরই অনুমোদন ছিল না; এমনকি রাজধানী মস্কো ও সেন্ট পিটার্সবার্গের বিক্ষোভও অনঅনুমোদিত ছিল।

২০ দিনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত নাভালনি এখন কারাগারে আছেন। বারবার আইন ভঙ্গ করে সমাবেশ করার দায়ে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছর এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো কারাদণ্ড ভোগ করছেন তিনি।

আদালতের পৃথক আরেকটি আদেশে বহিষ্কারের দণ্ড পাওয়ায় নাভালনি ২০১৮ সালের মার্চের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না বলে জানিয়েছে রাশিয়ার নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য