ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শুরু হয়েছে আগাম(হাইব্রীট) জাতের ধান কাটা-মাড়া। নতুন ধান ঘরে আসায় তৃপ্তি হাসি দেখা দিয়েছে কৃষকের মুখে।

এদিকে নতুন ধান আসলেও চাউলের দাম না কমায়, হতাশ হয়ে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। বাজারে নতুন চাউলের কেজি ৫২ টাকা থেকে ৫৩ টাকা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘরে দেখা দেখা গেছে আগাম (হাইব্রীট) জাতে ধান কাটা-মাড়া শুরু হয়েছে। অসময়ের এই ধান সস্তি ফিরিয়েছে কৃষকদের পরিবারে, এতে কৃষদের মুখে দেখা দিয়েছে তৃপ্তি হাসি।

কৃষকরা জানায় এখন অধিকাংশ কৃষকের ঘরে খাবার নাই, হাতে অর্থও নাই, তাদের এই আগাম জাতের ধান ঘরে এস সস্তি দিয়েছে, এছাড়া বাজারে নতুন ধান ২ হাজার টাকা বস্তা(এক হাজার টাকা মণ) দরে বিক্রি হচ্ছে এই ধাম তারা কোন দিন পাননি। এতে কৃষকরা সস্তি পেয়েছে।

তবে নতুন চাউল বাজারে আসলেও চাউলের দাম না কমায় হতাশ হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া দিন মজুন ও শ্রমিকরা। তারা বলছেন এখন তেমন কাজ নাই তার পরেও বাজারে চাউলের দাম বাড়তে আছে, আশা ছিল নতুন চাউল বাজারে আসলে দাম কমবে, কিন্তু বাজারে নতুন চাউরের দাম কেজি প্রতি ৫২ টাকা থেকে ৫৩ টাকা।

মিল মালিকগণ বলছেন এক মণ নতুন ধানের বাজার মুল্য এক হাজার টাকা, এক মণ নতুন ধান থেকে মাত্র ২২ কেজি চাউল উৎপন্ন, এর মধ্যে আছে চাউল উৎপাদন খরছ। এই কারনে ৫২ টাকা দরের নিচে বাজারে চাউল বিক্রি করা সম্ভাব নয়। ফলে নতুন ধান কৃষকদের মনে সস্তি দিলেও, চাউলের বাজারে এর প্রভাব পড়েনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এটিএম হামিম আশরাফ বলেন, এই বছর এই উপজেলায় ১৭ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে, এর মধ্যে ৬৫০ হেক্টর জমিতে আগাম (হাইব্রীট ) জাতের ধান চাষ হয়েছে। গত এক সম্পাহ থেকে শুরু হয়েছে আগাম(হাইব্রীট) জাতের ধান কাটা-মাড়া। আগাম জাতের এই ধান আশানুরুপ ফলন হওয়ায় কৃষদের মাঝে তৃপ্তি হাসি দেখা দিয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য