মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর থেকেঃ দিনাজপুর শহরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে রাস্তার দু’পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ অভিযানের ফলে সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং এই অভিযানকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

বুধবার (৪ অক্টোবর) বেলা ১২টা হতে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আফতাবুজ্জামান আল-ইমরান’র নেতৃত্বে শহরের স্টেশন রোড, বাহাদুর বাজার, জেল রোড, হেমায়েত আলী সংলগ্ন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট’র উপস্থিতিতে রাস্তার দু’পাশের অবৈধ স্থাপনা বুলড্রোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়। এর আগে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার পর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত একই এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

শহরের স্টেমশন রোড, বাহাদুর বাজার, জেল রোড এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে দোকানীরা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছেন। পাশাপাশি দোকানের সামগ্রী দোকানের সামনে রাস্তার উপর রাখার ফলে রাস্তা সরু হয়ে যাচ্ছে। আর এতে করে প্রতিনিয়ত এসব রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

যানজটের ফলে স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষসহ সাধারণ মানুষ সময় মত তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন না। তাদের নানান বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হয়। যানজটের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এবং জানমালেরও ক্ষতি হয়। এসব বিষয়কে সামনে জেলা প্রশাসন শহরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে রাস্তা-ঘাট ফাঁকা করার উদ্যোগ নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান। এতে করে সর্বসাধারণের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আফতাবুজ্জামান আল-ইমরান এ প্রতিনিধিকে জানান, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের সকল প্রকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। ক্রমান্বয়ে বড় বড় দোকানসহ সকল প্রকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এতে করে দিনাজপুরবাসির চলাচলের সমস্যা দুর হবে হয়ে যাবে। তবে আমাদের একটু সময় লাগবে।’

এদিকে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় এই অভিযানকে অভিনন্দন জানান সাধারণ মানুষ। এ সময় রাস্তার দু’পাশে উৎসুক জনতার ভিড় ছিল লক্ষ্যনীয়। অভিযান সম্পর্কে কয়েকজন পথচারী জানান, প্রশাসনের এই অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করলে শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষসহ সর্বসাধারণ বেশ উপকৃত হবে। তাই ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করার দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগি মানুষ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য