বাংলাদেশে ডেমি লোভেটোর যত ভক্ত আছেন, তাঁরা গত মঙ্গলবার প্রথম প্রহরেই পেলেন এক দারুণ উপহার। মার্কিন গায়িকা গত সোমবার দিবাগত রাত ১২টার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর অফিসিয়াল পেজে বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবির ওপরে বড় করে লেখা, ‘থ্যাংক ইউ বাংলাদেশ’।

ডেমি লোভেটোর পোস্ট থেকে জানা যায়, তাঁর নতুন অ্যালবাম ‘টেল মি ইউ লাভ মি’ এখন চাহিদার দিক দিয়ে বিশ্বের ৪০টি দেশে শীর্ষে আছে। আর এর মধ্যে বাংলাদেশে এটি চাহিদার দিক থেকে শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে। তবে বাংলাদেশি শ্রোতাদের কাছে এটি কোন প্ল্যাটফর্মে শীর্ষ চাহিদায় আছে, তা খোলাসা করা হয়নি সেই ফেসবুক পোস্টে।

অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করা সেই ছবিতে ডেমি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে এক নম্বর! এই অর্জনের জন্য প্রত্যেককে ধন্যবাদ। আপনাদের ভালোবাসি।’ পোস্টের মন্তব্যের বক্সে এখন বাংলাদেশি শ্রোতাদের ভিড়। তাঁরাও প্রিয় শিল্পীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন। এরইমধ্যে ছবিতে মন্তব্যের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে। শেয়ারও হয়েছে হাজারের অধিক।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর ডেমির নতুন অ্যালবাম ‘টেল মি ইউ লাভ মি’ বাজারে এনেছে আইল্যান্ড, সেফহাউস ও হলিউড রেকর্ডস। এই অ্যালবামের গানগুলো পপ ও রিদম অ্যান্ড ব্লুজ (আরএনবি) ঘরানার। অ্যালবামের আরেকটি গান ‘সরি নট সরি’ প্রকাশিত হয় গত ১১ জুলাই।

২৫ বছর বয়সী পপ গায়িকা ডেমি লোভেটোর শুরু হয়েছিল শিশুতোষ টিভি সিরিজ ‘বার্নি অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-এ কাজ করে। ২০০৮ সালে ডিজনি চ্যানেলের ‘ক্যাম্প রক’ ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে জনপ্রিয়তা পান তিনি। এরপর তাঁর প্রথম সিঙ্গেল ‘দিস ইজ মি’ বিলবোর্ড হট হান্ড্রেড চার্টের ৯ নম্বরে ওঠে। এরপরই হলিউড রেকর্ডসের সঙ্গে চুক্তি পেয়ে যান তিনি। ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় ডেমির প্রথম একক অ্যালবাম ‘ডোন্ট ফরগেট’।

গ্র্যামি ও বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পাওয়া ডেমি লোভেটো ২০০৮ সালে প্রথম অ্যালবাম ‘ডোন্ট ফরগেট’ প্রকাশ করার অল্প সময়ের মধ্যেই বিলবোর্ড টু হান্ড্রেড চার্টের দুই নম্বরে জায়গা করে নেয়। এই তালিকার শীর্ষে স্থান পায় শিল্পীর দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘হিয়ার উই গো অ্যাগেইন’ (২০০৯)। এ ছাড়া ডেমির আরও তিনটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো হলো ‘আনব্রোকেন’ (২০১১), ‘ডেমি’ (২০১৩) ও ‘কনফিডেন্ট’ (২০১৫)।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য