আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর চার ইঞ্জিনের একটি আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্যারিস থেকে লস এঞ্জেলসগামী একটি বিমান কানাডার পূর্বাঞ্চলে জরুরি অবতরণ করে।

এয়ার ফ্রান্সের ফ্লাইট সিক্সটি সিক্স শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টা ৪২ মিনিটে ল্যাবরেডরের গুজ বে-তে অবতরণ করে বলে খবর রয়টার্সের।

৪৯৬ যাত্রী ও ২৪ ক্রু বহন করা বিমানটি প্যারিসের শার্ল দ্য গল থেকে রওনা হয়েছিল; মাঝপথে ‘ইঞ্জিন সমস্যায়’ সেটি দিক পরিবর্তন করে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এয়ার ফ্রান্স।

এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলেও নিশ্চিত করেছে তারা।

“নিয়মিত প্রশিক্ষণ পাওয়া চালক ও কেবির ক্রুরা দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামলাতে সক্ষম হয়েছেন,” বিবৃতিতে এমনটাই বলা হয়।

জরুরি অবতরণে বাধ্য হওয়া বিমানটি এয়ারবাস থ্রিএইটটি ঘরানার; এটি সাত বছরের পুরনো বলে জানিয়েছে উড়োজাহাজ সংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডার এয়ারফ্লিটস ডট নেট।

জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি ও ইউনাইটেড টেকনোলজিস করপোরেশনের প্রাট অ্যান্ড হুইটনি ইউনিটের যৌথ উদ্যোগ ইঞ্জিন অ্যালায়েন্স বিমানটির ইঞ্জিন বানিয়েছিল।

বিমানের ইঞ্জিন কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেনি রয়টার্স।

এয়ারবাস কর্তৃপক্ষের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইঞ্জিন অ্যালায়েন্স জানিয়েছে, তারা এই সংক্রান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছে।

ঘটনার সময় বিমানের ভেতরে থাকা যাত্রীদের তোলা ছবি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এসব ছবিতে ইঞ্জিনের সামনের অংশকে দুমড়ানো মুচড়ানো দেখা গেলেও মূল অংশ ছিল অবিকৃত।

রিক এঙ্গেব্রেটসেন নামের এক যাত্রী পরে টুইটারে জানান, ঘটনার সময় জোরে শব্দ শোনার পাশাপাশি বিমানটিকে দুলতে দেখেছেন তারা।

এয়ার ফ্রান্স কর্তৃপক্ষ পরে জানায়, তারা যাত্রীদের লস এঞ্জেলসে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে।

কানাডার যে বিমানবন্দরে বিমানটি জরুরি অবতরণ করেছে সাধারণত সেটি আটলান্টিকের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানগুলোতে জরুরি জ্বালানি দেওয়ার কাছে ব্যবহৃত হয়।

ফরাসী বিমানে অবতরণ বিষয়ে কানাডার ট্রান্সপোর্টেশন সেইফটি বোর্ডের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য