দিনাজপুরের কাহারোলে প্রতিকূল আবহাওয়া থাকা সত্বেও গত বছর আলুর ব্যাপক ফলন হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান আলুর বাজারে আলুর দাম কম হওয়ায় চাষী ও ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারানোর আশঙ্খা করছেন। কাহারোল উপজেলার ২টি হিমাগারের আলু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান ১৫ দিনের ব্যবধানে প্রতি বস্তা আলুর দাম কমেছে ৩৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত।

কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে উপজেলায় প্রতিবছর আলুর ব্যাপক ফলন হয়।

গত বছর উপজেলায় ২ হাজার ২ শত ১০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়। পাশাপাশি লক্ষমাত্রা অর্জিত হয়েছিল ৪৭ হাজার ৫ শত ৫০ মেট্রিক টন। জানা গেছে উপজেলার ২টি হিমাগারে ধারন ক্ষমতার চেয়ে বেশি আলু মজুদ রয়েছে। কিন্তু বাজারে আলুর দাম কম থাকায় চাষী ও ব্যবসায়ীরা হিমাগার থেকে আলু উত্তোলন করতে পারছে না। ফলে চাষী ও ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারানোর আশঙ্খা করছেন।

আলু চাষী বাবু জানান গত ১৫ দিন আগে ৮০ কেজির গ্যানুলা আলুর দাম ছিল প্রতি বস্তা ১৩ শ টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৯ শত টাকা। অপর দিকে আলু ব্যবসায়ী জামাল উদ্দীন বলেন ১২ শত ৫০ টাকা করে আলু খরিদ করে হিমাগারে রেখেছি। এখন প্রতি বস্তা আলু বিক্রি করে ৪ শত থেকে ৫ শত টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে। হিমাগারগুলিতে অধিক মুনাফার লোভে ধারন ক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণ আলু মজুদ রয়েছে।

অনেক চাষী ও ব্যবসায়ী ঐ সব আলুর বস্তার উপর ভিত্তি করে হিমাগার মালিকদের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। এদিকে কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামীম বলেন, আগাম আলুর চাষ পুরোপুরি শুরু হয়নি, সেই কারণে আলুর বীজের দাম কম। মৌসুম শুরু হলে আলুর বীজের চাহিদা বাড়বে, তাতে দামও বেড়ে যাবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য