আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট থেকে: বাবা- মায়ের স্বপ্ন ছিল তুলসী রানী আবার স্কুলে যাবে। পড়াশোনা করে অনেক বড় হবে। বাবা- মায়ের দুঃখ মোচন করবে। সে আশা আর পূরণ হলো না। মেধাবী শিক্ষার্থী তুলসী রানী চলে গেলন না ফেরার দেশে। তুলসী রানী লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার দুহুলী এলাকার আনসার সদস্য ফুলকুমার রায়ের মেয়ে । দীর্ঘদিন ধরে তুলসী রানী ক্যান্সারজনিত রোগে ভোগ ছিলেন।

পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, রংপুরে হেলথ কেয়ার হসপিটাল এ গত ২৯ জুলাই ভর্তি হয়ে অর্থোপেডিক্স ও ট্রমা বিশেষজ্ঞ সার্জন ডা.মোস্তাফিজার রহমান সুজন এর তত্ববধানে চিকিৎসা করা হয় তাকে। তুলসীর বাম ‘পা’ টি অপারেশন করা হয়েছে। মেয়েটিকে বাঁচাতে ভারতে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে বলেছিলেন ডাক্তার। তুলসী রানীর উন্নত চিকিৎসা করাতে গত শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভারতে নেওয়ার পথে দেশ অতিক্রম করলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

তুলসী রানী উপজেলার দুহুলী এস সি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। দুহুলী এস সি উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক এনামুল হক জানান, মেধাবী শিক্ষর্থীরা তুলসী রানীর অকাল প্রয়াণে আমরা সকলে শোকাহত। এভাবে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী পরিবার পরিজনকে রেখে না ফেরার দেশে চলে যাওয়া তা মেনে নেওয়াটা খুবই কষ্টকর।

চলবলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু বলেন, এভাবে মেয়েটি চলে যাবে মেনে নেওয়াটা খুবেই কষ্টকর। তুলসীর রানীর বিদায়ী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য