দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার হাট বাজার গুগোলে কয়েক দিনের ব্যবধানে চিকন ও মোটা চালের দাম কেজি প্রতি ১০-১২ টাকা হারে বেড়েছে। চালের দাম বৃদ্ধির কারণে খুচরা ব্যবসায়ীরা এখন ক্ষুদ্র মিল মালিক ও অটোমিল মালিকদের দুছেন। গত প্রায় দুই সপ্তাহ যাবত উপজেলার আশপাশ এলাকার চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। সব ধরনের চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারন মানুষ ও নি¤œ আয়ের মানুষেরা বিপাকে পড়েছেন।

এ সময় চালের বাজার স্বাভাবিক থাকার কথা, কিন্তু বন্যার অজুহাত দেখিয়ে ও ধানের দাম বৃদ্ধির কারণে চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় চাল ব্যবসায়ী ও মিল মালিকেরা চাল বাজার সুত্রে জানা যায় গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চালের বাজার হঠাৎ উর্দ্ধমুখি হয়। এরপর থেকে বাজারে পঞ্চাশ টাকার নিচে কোন চাল মিলছেনা, চালের জাত ভেদে দফায় দফায় দাম বাড়ছে। হতদরিদ্র ও সাধারন মানুষের নাগালে নেই চালের বাজার।

গত কাল উপজেলার বিভিন্ন বাজার, চাল মার্কেট ঘুরে দেখা যায় দাম বৃদ্ধির চিত্র খুচরা বাজারে প্রতিকেজি বিআর-২৮ চাল আগে ছিল ৪৫ টাকা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫৪ টাকা, স্বর্ণা সাত দিন আগে ছিল ৩৮ টাকা বর্তমানে ৫০ টাকা, স্থানীয় জিরাসাইল আগে ছিল ৫০ টাকা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, পাইজাম আগে ছিল ৫৮ টাকা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, ৩৪ চাল আগে ছিল ৭৫ টাকা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা।

বাজার বৃদ্ধির কারণে মানুষ চাল ক্রয় করতে হিমসিম খাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে এক চাল ব্যবসায়ী জানান, বড় বড় মিলার ও ব্যবসায়ীরা প্রচুর পরিমান চাল মজুদ করে রেখে চালের দাম বৃদ্ধির কারণ মেনে নিতে পারছেনা নি¤œ আয়ের ও শ্রমজীবি মানুষেরা। বাজারে চাল সংকট তৈরি হওয়ায় চালের দাম উর্দ্ধমুখী হয়েছে তাছাড়া বাজারে ধানের দাম বেশি তাই চালের দামও বেশি।

আর এই কারণে চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন খুচরা চাল ব্যবসায়ী। খুচরা ব্যবসায়ী ও ভুক্ত ভোগিরা এই ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে অনতিবিলম্বে বাজারে চালের সরবরাহ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন অন্যথায় চালের আরো দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্খা ব্যক্ত করেন, খুচরা ব্যবসায়ী ও ভুক্তভোগীরা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য