দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা হাঁস, মুরগি, ছাগল ও গবাদী পশুর আবাদে এখন অনেক এগিয়ে। নিজ এলাকায় মাংস ও ডিমের চাহিদা পূরণ করে বাহিরে পাঠানো হচ্ছে।

কাহারোল উপজেলায় ব্রয়লার মূরগীর খামার ১৩১টি, ডিম পাড়া লেয়ার মুরগির খামার ৫১টি, হাঁেসর খামার ১৬৮টি, গাভীর খামার ১৯৫টি ও ছাগলের খামার ১৭৩টি রহিয়াছে। কিন্তু কিছু দিন আগে এক ভয়াবহ বন্যার কারনে উপজেলার ৩৫টি খামারের প্রায় ২০ হাজার মুরগি ও ৩ হাজার হাঁস মারা ও ভেসে গিয়েছে।

যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর থেকে নির্ধারন করা হয়েছে প্রায় ৮৬ লক্ষ টাকা। এত ক্ষয়ক্ষতির পরেও খামারিরা হাঁস, মুরগি পালন থেকে পিছিয়ে না থেকে উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের সহযোগীতায় পূর্বের মতোই হাঁস, মুরগি ও গবাদী পশু পালন করে যাচ্ছে।

বন্যার পর থেকে খামারিদের মাঝে প্রাণী সম্পদ দপ্তর থেকে গো খাদ্য, কৃমিনাশক বড়ি, নিপিয়ার পাকচন ও জারমান ঘাসের চারা কাটিং বিতরণ করে যাচ্ছে এবং গরু ও ছাগলের তড়কা টিকা প্রদান করা হচ্ছে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ ভেটেনারি সার্জন স্বপন কুমার সরকার আরো জানান বন্যার পর থেকেই আমরা সার্বক্ষনিক ভাবে খামারিদের মাঝে বিভিন্ন রকম পরামর্শ ও সহযোগীতা করে আছসি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য