নীলফামারী সংবাদাতাঃ ডোমারে ভ্যান চালক শফিকুল ইসলাম নামে এক পাষন্ড পিতার নির্যাতনের শিকার হয়ে শিশু কন্যা সপ্না আক্তারের (৭) একটি চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। চিকিৎসার ব্যায়ভার বহন করা সম্ভব না হওয়ায় ধিরে ধিরে তার চোখের ক্ষতস্থানটি বড় আকার ধারণ করে চোখটি নষ্ট হয়ে যায়।

জানাযায়, উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের কাজীফার্ম এলাকার মোকছেদ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামের সাথে সাত বছর আগে বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের শিমুলতলী রেলঘুন্টি পাড়ার ভ্যান চালক সহিদুলের কন্যা শরিফা খাতুনের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। শফিকুল রিক্সা চালোনোর কাজে ঢাকা শহরে গেলে সেখানে আরেকটি নতুন বিয়ে করে।

এ নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে প্রায় ঝগড়া বিবাদ হয়। একদিন স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার এক পর্যায়ে সফিকুল তার স্ত্রীবে বেদম মারপিট করতে থাকে। মায়েকে মারতে বারণ করায় পাষন্ড পিতা সফিকুল লাঠি দিয়ে তার মেয়ে স্বপ্নার চোখে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা এ সময় সপ্না ও তার মাকে উদ্ধার করে ডোমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখানে স্বপ্নার চোখের অবনতি হতে থাকলে তাকে ঢাকা ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসার ব্যায়ভার বহন করা সম্ভব না হওয়ায় ধিরে ধিরে তার চোখের ক্ষতস্থানটি বড় আকার ধারণ করে চোখটি নষ্ট হয়ে যায়। চোখ নষ্ট হলেও চোখের যন্ত্রনা এখনও বয়ে বেড়াচ্ছে স্বপ্না।

সপ্নার মা শরিফা বেগম জানান, ডাক্তার বলেছে চোখটি কেটে ফেলতে হবে নইলে অপর চোখটিও নষ্টের পাশাপাশি শরীরে ক্যান্সার দেখা দিতে পারে। বর্তমানে অর্থাভাবে শরিফা বেগম তার শিশু সন্তান স্বপ্নার চিকিৎসা করাতে পারছে না।

এদিকে চিকিৎসা না করালে অপর চোখ এবং শরীরে ক্যান্সার দেখা দিতে পারে এই আতঙ্কে দিন কাটছে তার। তাই তিনি সমাজের বিত্তবানদের কাছে তার মেয়ের চিকিৎসার জন্য সহায়তার আহবান জানিয়েছেন।

তাকে সাহায্য করার জন্য তার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর- ০১৭৮৮-১৭১৪৩৬ নম্বরে সহায়তাদানে অনুরোধ করেছেন তিনি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য