মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁও থেকেঃ ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারের ওএমএস এর চাল বিক্রিতে তেমন সাড়া মিলছে না। মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁওয়ের ২৪টি পয়েন্টে ওএমএস এর চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হলেও তাদের খুব বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছেনা।

জেলা খাদ্য বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিজন ডিলার ১ মেট্রিকটন চাল বিক্রি করতে পারবেন। যে পরিমাণ চাল গুদামে মজুদ আছে আগামী কয়েক মাস ভালভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে ওএমএস কার্যক্রম চালু রাখা যাবে।

ওএমএস এর চাল বিক্রির বিষয়টি জনগণ না জানায় প্রথম দিনে তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। তবে আগামী দিনে ভিড় থাকবে। বিগত দিনে এই কর্মসূচিতে চালের মূল্য ছিল ১৫ টাকা। তবে এবার তা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। প্রতিকেজি চাল ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ওএমএস চালু করা হলেও খুচরা বাজারে চালের দামে কোনো প্রভাব পড়েনি।

মঙ্গলবার দেখা যায়, ঠাকুরগাঁও পৌর চাল বাজারে প্রতিকেজি মিনিকেট ৬০-৬২ টাকা, জিরাশাইল ৫৮-৬০ টাকা, বিআর-২৮ জাতের চাল ৫৪-৫৫ টাকা, পারিজা ৪৮-৫০ টাকা, এলসি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে । গত ১ সপ্তাহে ৫৯ কেজি ওজনের বস্তা প্রতি ২০০-২৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘অধিক সংখ্যক মানুষের সুবিধার জন্য ঠাকুরগাঁওয়ের ২৪টি পয়েন্টে চাল বিক্রয় শুরু হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্য বিভাগ বাজার নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং করছে।’

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য