মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁও থেকেঃ ঠাকুরগাওয়ের বালিয়াডাঙ্গী নানা অনিয়মে জর্জরিত হাসপাতালের জরুরি বিভাগ। সেখানে সরকারি নিয়োগকৃত ওয়ার্ড বয়ের পরিবর্তে স্বেচ্ছাসেবকদের দিয়ে কাজ চলছে । ওয়ার্ড বয় কাজে ফাঁকি দিয়ে চলছে বলার কেউ নেই, দেখার কেউ নেই। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী হাসপাতালে উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পদ রয়েছে ১০ জন আছে ৭ জন।ওয়ার্ড বয়ের পদ রয়েছে ৩ জন। আছেও ৩ জন ওয়ার্ড বয় ।

আমাদের প্রতিনিধি তথ্য সংগ্রহের জন্য গেলে কোন ওয়ার্ড বয়কে দেখা যায়নি। জরুরি বিভাগে পাওয়া গেল স্বেচ্ছাসেবক শরীফকে তার পার্শ্বে চেয়ারে বসেছিলেন উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মাহাবুব আলমকে। তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে কোন তথ্য দিতে পারেনি। ওয়ার্ড বয়দের কাছে উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসাররা জিম্মি হয়ে পড়েছে।

ওযার্ড বয়রা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেনা। রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। ওয়ার্ড বয়রা কেউ আসে , কেউ এসে অফিসের হাজিরা খাতায় উপস্থিতির স্বাক্ষর করে চলে যায়। স্বেচ্ছাসেবকদের দিয়ে চলছে হাসপতালের জরুরী বিভাগ। স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে ৪ জন । স্বেচ্ছাসেবকরা হলেন , শরীফ,একরামুল, জুয়েল ও উজ্জল। আবার সরকারি অনুমোদিত নয়। হাসপাতালের জরুরী বিভাগ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ।

সেখানে পুলিশ ফাইল সহ বিভিন্ন বিষয়ে রোগী এসে নাম লিপিবদ্ধ করেন। বেশ কয়েক বছর ধরে জরুরী ুিবভাগে অনিয়ম চলছে । সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুকের মাধ্যমে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্বেচ্ছাসেবকদের দিয়ে চলছে ওয়ার্ড বয় গুলো ঠিক মতো দায়িত্ব পালন করছেন না বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছেন । উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ফিরোজ জামান জুয়েল জানান, আমার জানামতে হাসপাতালে কোন স্বেচ্ছাসেবক নাই।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা. আবু মো: খায়রুল কবীর জানান, কোন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়নি। তাহলে কারা হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দিয়েছেন। সরকার ওয়ার্ড বয়দের নিয়োগ দিয়েছে সাধারন মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য । সেবার পরিবর্তে সাধারন মানুষ নানা ভাবে হয়রানীর শিক্রা হচ্ছে । জরুরি বিভাগে রোগী নিবন্ধনের ফি হচ্ছে ৮ টাকা । রোগীদের কাছে নেওয়া হচ্ছে ২০ থেকে ১শ টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য