ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের ছোট ভাই ইকবাল কাসকারকে চাঁদাবাজি মামলায় মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

থানে পুলিশের চাঁদাবাজি-বিরোধী সেলের প্রধান সাবেক এনকাউন্টার বিশেষজ্ঞ প্রদীপ শর্মা ইকবালকে গ্রেপ্তার করেন বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।

মুম্বাইভিত্তিক কয়েকটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে। চারটি ফ্ল্যাট দেওয়ার পরও ইকবাল ধারাবাহিকভাবে আরও ফ্ল্যাট চাইছেন বলে অভিযোগ প্রতিষ্ঠানগুলোর।

ছোটভাইকে গ্রেপ্তারের পর ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধী দাউদ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে ভারত সরকার কী ব্যবস্থা নেয় তা নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে।

গত সপ্তাহে ইউনিয়ন মন্ত্রী ভি কে সিং বলেছিলেন, “দাউদকে নিয়ে আমরা কিছু বলতে পারবো না। অনেক কিছুই ঘটছে, আমরা থলের বাইরে বিড়ালকে বেরিয়ে যেতে দিতে পারি না।”

খুনের মামলা এবং সরকারি জমিতে ভবন নির্মাণের জন্য বিতর্কিত সারা সাহারা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০০৩ সালে ইকবালকে ফেরত পাঠায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। চার বছর পর আদালত দুই মামলাতেই ইকবালকে দোষী সাব্যস্ত করে।

১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ২৫৭ জন নিহতের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী দাউদের নাম জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈশ্বিক সন্ত্রাসীদের তালিকায়ও আছে।

গত বছর জাতিসংঘের সংস্থাগুলো দাউদের ঠিকানা হিসেবে করাচির নাম লেখে; এর মাধ্যমে আন্ডারওয়ার্ল্ডের এই ডন পাকিস্তানের আশ্রয়ে আছেন ভারতের এমন অভিযোগের সত্যতা মেলে বলেও দাবি এনডিটিভির।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যও তাদের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কালো তালিকার নতুন সংস্করণে একমাত্র ভারতীয় হিসেবে দাউদের নাম সংযুক্ত করেছে।

ওই তালিকায় দাউদের ২১টি ছদ্মনাম লেখা রয়েছে, ঠিকানা দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের করাচি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য