গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সর্বত্র গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। অধিক মুল্যেও গরুর প্রধান খাবার খড় পাওয়া যাচ্ছে না। কোন উপায় না পেয়ে গরুর মালিকেরা কচুড়ি পানা, বাঁশ পাতা ও লতা পাতা সংগ্রহ করে গবাদী পশুকে খাওয়াচ্ছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে অতি বৃষ্টি ও উপজেলার ১০ ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বন্যায় কৃষকদের সংরক্ষিত গরুর খাদ্য খড় সম্পুর্ন নষ্ট হয়ে যায়। এতদিন চড়া মুল্যে খড় কিনে সংকট মিটালেও এখন আর তাও পাওয়া যাচ্ছে না। গৃহস্থালিরা গরু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।

সাময়িক ভাবে তারা খাল বিল থেকে কচুড়ি পানা সংগ্রহ করে গো-খাদ্যের অভাব মেটালেও রোগ ব্যাধির ভয়ে বেশিদিন এটির উপর নির্ভরশীল হতে পারছেন না বলে জানালেন, উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের খামারী সুজন মিয়া।

বারকোনা গ্রামের কৃষক মজিবর রহমান জানান, দ্বিগুন দামেও গো খাদ্য মিলছে না। বাজার থেকে গরুর খাদ্য কিনতে না পারায় খামারীরা কম দামে গরু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। ভরতখালী গো হাটে গিয়ে দেখা যায়, কম দামে গরু বিক্রি করে বাড়িতে ফিরছেন কৃষক আমির আলি।

তিনি বলেন, চাল কিনে নিজেরা ভাত খাব না গরুর খাদ্য কিনবো। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, গো-খাদ্য সংকটের বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট পত্র দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে বিনামূল্যে গো-খাদ্য বিতরণ করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য