ব্রিটেন গত ২২ মাসে রফতানি করেছে প্রায় পাঁচশ’ কোটি পাউন্ড স্টারলিং সমপরিমাণ অস্ত্র। রক্ষণশীল দল নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতার আসার পর অস্ত্র রফতানির ব্যবসা দেশটিতে রমরমা হয়ে ওঠে। এ সব অস্ত্রের প্রধান ক্রেতা সৌদি আরবসহ আরো কয়েকটি স্বৈরতান্ত্রিক সরকার।

সৌদি আরবের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই অস্ত্র বিক্রি করেছে ব্রিটিশ সরকার। ক্ষমতায় আসা আগে ব্রিটেনের কাছ থেকে ৬৮ কোটি পাউন্ড স্টারলিংয়ের অস্ত্র কিনেছে সৌদি আরব। কিন্তু গত ২২ মাসে এ অস্ত্র কেনার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২০ কোটি পাউন্ড স্টারলিং। ব্রিটিশ সরকার এবারে বিশ্বের অন্যান্য স্বৈরতান্ত্রিক দেশেও অস্ত্র বিক্রির তৎপরতা বাড়িয়েছে বলে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে।

পূর্ব লন্ডনের এক্সেলে প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মেলার আগে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিশ্বের এ ধরণের যে সব মেলা হয় তার মধ্যে এক্সেলের মেলাকে অন্যতম বৃহৎ হিসেবে গণ্য করা হয়। এ মেলায় অংশ নেয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকার যে সব দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে মিশর, বাহরাইন এবং সৌদি আরব।

এদিকে, ব্রিটেন সে সব দেশের কাছে অস্ত্র রফতানি করছে তাদের সবারই মানবাধিকার সংক্রান্ত রেকর্ড বিতর্কিত বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান।

এ ছাড়া, মানবাধিকার কর্মীরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি করছে। দেশটির মানবাধিকার সংক্রান্ত রেকর্ডের ভিত্তিতে এ দাবি করা হয়। সাইবার নজরদারি সংক্রান্ত প্রযুক্তি দেশটির কাছে বিক্রির বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার আলোচনা করছে। এ প্রযুক্তি দেশটির মানুষের ওপর অহেতুক নজরদারিতে ব্যবহার হয় বলে অভিযোগ করছেন তারা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য