মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁও থেকেঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকত্রার অফিস সহ উপজেলা খাদ্য কর্মকর্ত্রা, উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডি অফিস, মহিলা বিষয়ক কর্মকতার অফিস, উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসে গিয়ে তালা ঝুরতে দেখা যায়। আর যে দু-একটি অফিস খোলা পাওয়া গেছে সেগুলিতে সরকারি অফিস কর্মকর্তাদের গল্পগুজবে সময় পার করতে দেখা যায়।

আজ রবিবার দেখা যায় উপজেলার বেশ কিছু অফিস, সময় ১২ঃ৩০মিনিটে অফিস সময়ে তালা ঝুলতে, তিনি সে সময়ে আশে পাশে ডাক হাক দিয়েও কাউকেই পাননি। সে ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকত্রার অফিসে কথা বলতে গেলে সে সময়ে তিনিও তিনার অফিস রুমে ছিলেন না। পরে এক কর্মকর্তার মারফতে জানতে পারা যায় তিনি হয়ত অফিসের কাজে বাহিড়ে আছেন।

তবে তাৎখনিক সেখানে আসা দুএক জনকে বলতে শোনা যায় ইউএনও সারকে তো ঠিক মত পাওয়ায় যায় না। একটা কাজে আমাকে প্রায় কয়েক দিন আসতে হয়েছে, তাও আবার যেদিন পেয়েছি বলেছে ২দিন পর আসতে। কি আর বলবো ভাই সব বড় বড় কর্মকর্তাদের ব্যাপার আমরা বলতে গেলেই দোষ হবে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন জেনে আর কি করবেন আপনারা সাংবাদিকরাও তাদের পক্ষে দেশের গরিব দুখি মানুষের কথা কেউ শোনে না।

সুধি সমাজের দাবি সরকার যেহেতু সরকারি কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের মাইনে দিয়ে দেশও জনগনের কল্যানে রেখেছে তাহলে তাদের অফিস ঠিকমত চলছে কিনা তা দেখার জন্যও লোকবল আছে তাদেরও কি একই অবস্থা এদের দেখার কি কেউ নেই? এলাকার অফিস গুলোয় বিভিন্ন কাজে আসা লোকজনকে বারবার আসতে হচ্ছে তাদের সেবা নিতে।

এ বিষয়ে রানীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার- নাহিদ হাসান বলেন-সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকেই অফিস, আমি সকল কর্মকর্তাদের মৌখিকভাবে বলেছি ঠিক মত অফিস করতে, তবে স্ব স্ব অফিসের উর্ধতন কর্মকর্তারাই অফিস মেনন্টেইন করবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য